ঢাকা, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী ডেনমার্ক

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০ বার


স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী ডেনমার্ক

ঢাকা: বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ডেনমার্ক। 

এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য খাতের অভিন্ন অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতের সঙ্গে বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার।

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ডেনমার্ক দূতাবাস জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ই-হেলথ সিস্টেম উন্নয়ন এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ ই-হেলথ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

এ ক্ষেত্রে ডেনমার্কের ই-হেলথ ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

 

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

এগুলো হলো-ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের জন্য পুনর্বাসন সেবা জোরদার ও জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, বিশেষ করে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলায় সহযোগিতা।

 

 

 

বৈঠকে জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

ডেনমার্ক বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা করে আসছে। লবণাক্ততার ক্রমবর্ধমান প্রভাব, বিশেষ করে নারীদের স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব মোকাবিলায় এ সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

 

এ ছাড়া ঢাকার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগারের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ডেনমার্ক ইউরো ৩০০ মিলিয়ন অর্থায়নে অংশ নিচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে ঢাকার ৭০ থেকে ৯০ লাখ মানুষের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহে সহায়তা করবে।

বৈঠকে দুই পক্ষ স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র চিহ্নিত করে পরবর্তী কার্যক্রম সমন্বয়ের বিষয়ে একমত হয়।

বাংলাদেশ-ডেনমার্ক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে বাস্তবভিত্তিক সমাধান নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।


   আরও সংবাদ