ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪৮ বার
ঢাকা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে শুকরিয়া আদায় করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর এমন মন্তব্য করেন।
আদালতের রায়ে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার অন্য দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল।
অধিকাংশ অভিযোগই আসামিদের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। আহত ও নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা এই রায়ে শুকরিয়া আদায় করছি।
আসামিদের নির্মম কর্মকাণ্ডের কারণে সারা বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪ শত ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।
পলাতক সাত আসামির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর জানান, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে তারা যেহেতু এখন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হলে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম। অন্যদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান।