ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১৭ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৭ বার
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান তিনি।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী এসব কথা জানান।
মীর শাহে আলম বলেন, আমাদের স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটি আইন আছে, এই পাঁচটি আইনের মধ্যে কোথাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
অতএব যারা নির্বাচনে আগামীতে অংশগ্রহণ করবেন তাদের অনুরোধ করব, আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে যারা অংশগ্রহণ করবে, আমি আবারও বলছি শিক্ষকতা যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই যে ইউপি সদস্যতে দাঁড়ালে আপনার এই যোগ্যতা থাকতে হবে, ইউপি চেয়ারম্যানে দাঁড়াতে এই যোগ্যতা থাকতে হবে, সেটা নেই।
উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, সিটি মেয়র কাউন্সিলর– এসব পদে দাঁড়ানোর জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বা লাগবে না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এমপিদেরই তো নাই, আমি যে এমপি হয়েছি আমারই তো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি ফরমে।
আইনে নাই, সংবিধানে নাই এবং যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না, লোকাল গভর্নমেন্টের যে পাঁচটা আইন করেছি ওখানে আইনও আমরা রাখিনি। কারণ, এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। একজন সমাজসেবক তো লেখাপড়া নাও করতে পারেন, স্বশিক্ষিত হতে পারেন। লেখাপড়া না করে সে স্বশিক্ষিত হতে পারে অথবা কোনো দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায়নি কিন্তু সে মেধাবী, আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান তার মধ্যে রয়েছে। তার হয়ত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা আছে, এই কারণে সাংবিধানিকভাবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে– এ কারণে যেহেতু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই। ওই ধারাবাহিকতায় আমরা এই পাঁচটি আইনেও আবার নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধির শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা রাখিনি। বয়স তো থাকবেই। বয়স বলতে আপনি ভোটার হলে…। আপনি যদি ভোটার হন তাহলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ভোটার হলেই আপনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।