ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৩ বার
ঢাকা: জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সুইজারল্যান্ড থেকে দুই কার্গো এলএনজি এবং খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ৫০ কেজি ধারণক্ষমতার এক কোটি পিস নতুন কাট সাইজ বি-টুইল বস্তা ক্রয়ের পৃথক দুটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটির সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা সূত্রে জানা যায়, সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিতে সুইজারল্যান্ড থেকে স্বল্পমেয়াদে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুই কার্গো এলএনজি আমদানির দরপ্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিটি।
সূত্র জানায়, এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ জি-টু-জি ভিত্তিতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি সরবরাহ এবং এফএসআরইউ স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করে প্রস্তাব দাখিল করেছিল।
২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে জি-টু-জি চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালে স্বল্পমেয়াদে কিছুসংখ্যক এলএনজি কার্গো আমদানির প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়।
এলএনজি আমদানিতে স্পট মার্কেটের বিকল্প হিসেবে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জি-টু-জি ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদে এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে ২০২৬ সালে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির জন্য নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে নির্ধারিত জাপান-কোরিয়া মার্কেট (জেকেএম) ফর্মুলা অনুযায়ী দরপ্রস্তাব (জেকেএম + ০.১২৫ মার্কিন ডলার/এমএমবিটিইউ) অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলে কমিটি তাতে সম্মতি দেয়।
একটি কার্গোতে এলএনজির পরিমাণ ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ।
সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ৫০ কেজি ধারণক্ষমতার এক কোটি পিস নতুন কাট সাইজ বি-টুইল বস্তা ক্রয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়।
এ বাবদ ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ২৫ লাখ ২২ হাজার ৪০০ টাকা।
খাদ্যশস্য খামালজাতকরণ এবং গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে সঠিকভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৬১৬টি দরপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ২৩টি প্রতিষ্ঠানের ৫৩০টি দরপত্র রেসপনসিভ হিসেবে বিবেচিত হয়।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশ অনুযায়ী ১৬টি রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক কোটি পিস নতুন কাট সাইজ বি-টুইল বস্তা কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ২৫ লাখ ২২ হাজার ৪০০ টাকা। প্রতি পিস বস্তার গড় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৮ টাকা ৩৬ পয়সা।