আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৫ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪৪ বার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিক ইরানে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হলেও মুসলিম অধ্যুষিত পুরো অঞ্চলটিতেই এখন যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ইরান ছাড়া অন্য আরব দেশগুলো সরাসরি অংশ নিচ্ছে না।
ধর্মীয় রীতি অনুসারে সাধারণত খোলা স্থানে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়ে থাকে।
তবে, সংঘাত ও ইরানি হামলার প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলো বাইরে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার তথ্যমতে, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত মুসল্লিদেরকে যেখানে সাধারণত হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়, এমন ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোতে ঈদুল ফিতরের নামাজ না পড়ার জন্য বলা হয়।
শুধু মসজিদের ভেতরেই নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেয় দেশগুলো।
ইরানের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি-যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৪৪৪ জন নিহত এবং ১৮ হাজার ৫৫১ জন আহত হয়েছেন।
হামলার প্রথমভাগে আগ্রাসনবাদী বাহিনী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীসহ অনেক শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। সম্প্রতি ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খাতিবকেও হত্যা করে তারা।
এর জবাব দিচ্ছে ইরানও। তারা ইসরায়েলে মিসাইল হামলার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।
ফলে সেসব দেশেও বিরাজ করছে যুদ্ধাবস্থা।