আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩১ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৮ বার
মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়া এবং জি৭ভুক্ত দেশগুলোর জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্তে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল অবকাঠামোয় আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও বাড়তি সরবরাহের কারণে সেই চাপ কিছুটা কমেছে।
সোমবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ২টা ৪০ মিনিটে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ভবিষ্যৎ সরবরাহমূল্য ৬৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০১ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৯৫ সেন্ট বা ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ১২ ডলারে।
গত সপ্তাহে ব্রেন্টের আগের বাড়তি দাম প্রায় পুরোটাই কমে যায়। আর ডব্লিউটিআইয়ের দাম কমে ১ দশমিক ৬ শতাংশ।
এর মধ্যে শুক্রবার জি৭ভুক্ত দেশগুলো জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে জ্বালানি রপ্তানিতে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ না করার প্রতিশ্রুতিও দেয় তারা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের পর দেশগুলো এই সিদ্ধান্ত নেয়।
এই মজুত ছাড়ার ফলে বাজারে মধ্যপ্রাচ্যের বাড়তি তেল সরবরাহের সঙ্গে আরও সরবরাহ যুক্ত হবে। জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে চার দিন মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির পরিমাণ যুদ্ধ শুরুর আগের মাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে একই সময়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ে কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, জি৭-এর কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিক সরবরাহ-সংকটের আশঙ্কা কিছুটা কমিয়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের তেল রপ্তানির পরিমাণও যুদ্ধের আগের মাত্রার কাছাকাছি ফিরে যাচ্ছে বলে বাজারে ধারণা তৈরি হয়েছে।
তবে তার মতে, ওই তেল এখনো বেশি খরচে এবং তুলনামূলক কম কার্যকর পথে বাজারে পৌঁছাচ্ছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স