ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

মানবপাচার রোধে আইন আরও কার্যকর করার তাগিদ

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৬ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৭ বার


মানবপাচার রোধে আইন আরও কার্যকর করার তাগিদ

ঢাকা: মানবপাচার প্রতিরোধে আইন আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আইন মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) আয়োজনে ‘মানবপাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালীকরণ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মানবপাচার প্রতিরোধে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

মানবপাচারের সংজ্ঞাকেও আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, অনলাইন জুয়া, অনলাইনের মাধ্যমে সংঘটিত পাচারসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে মানবপাচারবিষয়ক প্রোটোকল অনুমোদন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মামলা পরিচালনা ও বিচারপ্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না থাকা বড় চ্যালেঞ্জ।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জনবল এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

 

বিচারপ্রক্রিয়ার ধীরগতির বিষয়ে তিনি বলেন, এর জন্য বিচারকদের দোষারোপ করা যায় না; এটি বিচারব্যবস্থার কাঠামোগত ও পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৪৬ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে, বিপরীতে বিচারক প্রায় ২ হাজার ৪০০ জন।

বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যাওয়া বাংলাদেশিদের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, তাদের পুরোপুরি বিদেশযাত্রা থেকে বিরত রাখা সম্ভব নয়। তবে অনিয়মিত অভিবাসী হয়ে অনেকে দুর্ভোগের শিকার হন। তাদের অধিকার সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।

আসাদুজ্জামান বলেন, লিগ্যাল এইড অধিদপ্তর অভিবাসী কর্মীদেরও আইনগত সহায়তা দিচ্ছে। প্রয়োজন হলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা বাংলাদেশিরা এ সহায়তা নিতে পারেন।

মাদক অপরাধের বিষয়ে তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হয়েছে। অনলাইনে মাদক কেনাবেচা মোকাবিলায় সরকার পুলিশের একটি পৃথক সাইবার ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান হোলগে।


   আরও সংবাদ