ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৫ বার


স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, সবার জন্য সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চিকিৎসা নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে কেবল আধুনিক হাসপাতাল বা উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসায় সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারের একটি হলে ‘সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ডা. জুবাইদা রহমান এসব কথা বলেন।

নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী এ ইনোভেশন ফেয়ার চলবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করছে স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশন্স লিমিটেড।

 

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের বাস্তবায়নে আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের অনেক রোগী জটিল অবস্থায় পৌঁছানোর পর বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।

ঘরের কাছে প্রয়োজনীয় সেবা না থাকায় তাদের দূর-দূরান্তে ছুটতে হয়। শুধু চিকিৎসাকেন্দ্রিক না হয়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে রোগ প্রতিরোধমুখী হতে হবে, যাতে রোগ জটিল রূপ ধারণ করার আগেই তা শনাক্ত করা যায়।

 

দেশের ৯০ হাজারেরও বেশি গ্রামে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিশুদের টিকাদান জোরদার করতে পারলে প্রান্তিক মানুষকে আর ছোটখাটো রোগের জন্য দূরে ছুটতে হবে না। এ ছাড়া হৃদরোগ, ক্যানসার ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক সামাজিক স্ক্রিনিং ও ধারাবাহিক মনিটরিং ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা, যেমন ডিমেনশিয়া ও পারকিনসন্স রোগের চিকিৎসা প্রস্তুতির দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে, যেখানে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তারা কমিউনিটি পর্যায়ে দীর্ঘস্থায়ী রোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রসূতি সেবায় ভূমিকা রাখবেন।

 

 

গর্ভবতী নারী ও শিশুদের উন্নত সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা থেকে বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য কার্যক্ষম রেফারাল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে বলেও জানান তিনি।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, উদ্ভাবন মানেই কেবল ব্যয়বহুল যন্ত্র তৈরি বা নতুন অ্যাপস নয়, সাধারণ মানুষের বাস্তব সমস্যার সমাধানই আসল উদ্ভাবন। বাংলাদেশের শক্তিশালী ওষুধ শিল্প, গবেষক ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে একসূত্রে বেঁধে সমন্বিত সেবাদানের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।


   আরও সংবাদ