ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩ বার
খুলনা বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়াতে পাঁচটি নতুন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এজন্য পূর্তকাজে ১৩৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮৮ হাজার ২৩৩ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বাপবিবো) বাস্তবায়নাধীন ‘বাপবিবোর বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন (খুলনা বিভাগ) (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের প্যাকেজ ডব্লিউ-১০-এর আওতায় এসব উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।
প্রকল্পের ব্যয় সরকারি অর্থ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থ এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে নির্বাহ করা হবে।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, পাঁচটি উপকেন্দ্র নির্মাণের পূর্তকাজে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।
এতে চারটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল করে। যাচাই-বাছাই শেষে চারটি দরপ্রস্তাবই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে টিএস ট্রান্সফরমার্স লিমিটেড ও ফুজিয়ান ইয়ংফু পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ উদ্যোগকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। তাদের ১৩৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮৮ হাজার ২৩৩ টাকার দরপ্রস্তাবই অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।
প্যাকেজটির আওতায় ৩৩/১১ কেভি ক্ষমতার পাঁচটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি উপকেন্দ্রের ক্ষমতা হবে ১×১০/১৪ এমভিএ। ভূমি উন্নয়ন, নকশা প্রণয়ন, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষা ও চালুকরণসহ পুরো কাজ সম্পন্ন করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এসব উপকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে খুলনা বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়বে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পটি ২০২১ সালের ৪ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।