আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অগাস্ট, ২০২৬ ১০:২০ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার
পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ। শোনা যাচ্ছিল, শান্তি ফেরাতে দুই দেশই অগ্রসর হচ্ছে।
কিন্তু সেই জল্পনা উড়িয়ে হরমুজ প্রণালিতে ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। লক্ষ্য একটাই—তেহরানকে আর্থিকভাবে আরো চাপে রাখা।
ইরানের বন্দর ছেড়ে আসা সব জাহাজ আটকাতেই প্রণালিতে অবরোধ জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড-সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সহায়তা এবং তেহরানের বিরুদ্ধে অবরোধ জোরদারে যুদ্ধজাহাজগুলোকে হরমুজে মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রসে’র নাবিকরাও সেখানে রয়েছেন। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটে ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে যোগ করে সেন্টকম।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, আমেরিকা যতক্ষণ না তাদের আচরণ সংশোধন করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ খোলা হবে না।
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব তথা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের কমান্ডার বাঘের জোলঘাদর শর্তের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন।
সেখানে বলা হয়েছে, আমেরিকা যদি ইরানের শর্তগুলো মানে তবেই হরমুজ খোলা হবে। শর্তগুলো হলো, আমেরিকাকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে হামলা বন্ধ করতে হবে, তেহরানকে কোনো হুমকি দেওয়া যাবে না, ইরানের সহযোগীদের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়া ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে, সরাতে হবে সেনাও। পাশাপাশি, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ইরানকে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, তেহরানের ওপর চাপানো সমস্ত নিষেধাজ্ঞা আমেরিকাকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং মুক্ত করতে হবে বাজেয়াপ্ত সম্পদও। যদিও বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন এখনো মুখ খোলেনি।