ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ জুন, ২০২৬ ১০:০০ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতিসংঘ অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা।
এছাড়া চীন, থাইল্যান্ড, কসোভোর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) এক বার্তায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বে সাধারণ পরিষদ সকল সদস্য রাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করে যাবে।
এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জনগণ এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে খলিলুর রহমানের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।
খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এক বার্তায় খলিলুর রহমানকে ভাই সম্বোধন করে বলেছেন, আমার প্রিয় ভাই, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন।
তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুবাদে আমি নিশ্চিত যে, তার ব্যাপক কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বহুপাক্ষিকতার প্রতি অবিচল অঙ্গীকার এই পরিষদকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করবে।
ইসহাক দার বলেন, আমি জাতিসংঘে আমাদের সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখতে এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করতে, অভিন্ন বৈশ্বিক অগ্রাধিকারগুলোকে এগিয়ে নিতে এবং সংলাপ, শান্তি ও টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করতে একসঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও উদ্যোগে খলিলুর রহমানের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।