ঢাকা, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

মেসির ৯০০ ছোঁয়ার উচ্ছ্বাস রূপ নিল বিষাদে

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৮ বার


মেসির ৯০০ ছোঁয়ার উচ্ছ্বাস রূপ নিল বিষাদে

ম্যাচের ৫৯ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে গোলে ৯টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখে মায়ামি। কিন্তু গোল হয় ওই একটিই। ন্যাশভিল গোটা ম্যাচে স্রেফ একটি শটই লক্ষ্যে রাখে। সেটিই তাদেরকে পৌঁছে দেয় কোয়ার্টার-ফাইনালে।

 

গত ৮ মার্চ মেজর লিগ সকারে ডি.সি. ইউনাইটেডের বিপক্ষে গোল করে ৮৯৯ গোলে পৌঁছান মেসি। এরপর কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ন্যাশভিলের বিপক্ষে ও মেজর লিগ সকারে শার্লট এফসির বিপক্ষে ম্যাচে গোল পাননি তিনি। দুটি ম্যাচই গোলশূন্য ড্র হয়।

 

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোরে ন্যাশভিলের বিপক্ষে দ্বিতীয় লেগে দ্রুতই সেই গোলটি ধরা দেয়। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই বক্সের ভের বল পেয়ে বাঁ দিকে কাট করে আড়াআড়ি শটে বল জালে জড়ান মেসি।

 

 

ইতিহাসের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে দেশ ও ক্লাব মিলিয়ে ৯০০ গোলের স্বাদ পান তিনি। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই চূড়ায় পা রাখেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

 

১ হাজার ২৩৬ ম্যাচ খেলে এই মাইলফলকের দেখা পেয়েছিলেন রোনালদো, ১ হাজার ১৪২ ম্যাচে তা করে ফেললেন মেসি।

 

৭৬৫ গোল নিয়ে তিনে আছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে। বর্তমানে সক্রিয় ফুটবলারদের মধ্যে ৬৯০ গোল নিয়ে তৃতীয় রবের্ত লেভানদোভস্কি।

 

মেসির এই ৯০০ গোলের ৬৭২টি এসেছে বার্সেলোনার হয়ে। ইন্টার মায়ামির হয়ে গোল হলো এখন ৮১টি। পিএসজির জার্সিতে করেছেন ৩২ গোল। দেশের হয়ে আর্জেন্টাইন জাদুকরের গোল ১১৫টি।

 

সেই গোল ৭৩ মিনিট পর্যন্ত ধরে রাখে মায়ামি। ৭৪তম মিনিটে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ক্রিস্তিয়ান এস্পিনোসার গোলে সমতায় ফেরে ন্যাশভিল, যেটি আসলে পরিণত হয় দুই লেগের লড়াইয়ে ভাগ্য গড়ে দেওয়া গোলে। পরের সময়টায় সম্ভাবনা জাগিয়েও আর গোল করতে পারেনি মায়ামি।

 

ম্যাচের পর মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো দায় নিলেন সবটুকু নিজের ওপরই।

 

“রাতটি পরিষ্কারভাবেই অত্যন্ত দুঃখের, হতাশায় পূর্ণ। এই টুর্নামেন্টে সামনে এগিয়ে যেতে অনেক আশা ছিল আমাদের। ম্যাচটি ছিল খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং আজ আমরা এগিয়েও গিয়েছিলাম। বিশেষ করে প্রথমার্ধে আরও দু-একটি গোল করার বেশ কয়েকটি সুযোগ আমাদের ছিল।”

 

"হতাশাজনকভাবে, কিছু দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার পর আমরা গোল হজম করি। এমনটা হতেই পারে, এবং শেষ পর্যন্ত আমরা প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেলাম। বাস্তবতা হলো, খেলোয়াড়দের দোষারোপ করার মতো বিন্দুমাত্র কিছু নেই আমার কাছে। তারা তাদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে এবং যা কিছু করা সম্ভব, সবই করেছে। দিনশেষে এই বাদ পড়ার জন্য প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিটি আমিই।"


   আরও সংবাদ