স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৯ বার
ফোর্ট ওয়েন এফসির বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানের দাপুটে জয় পেয়েছে নিউইয়র্ক কসমস। দলের হয়ে মাঝমাঠে ‘বক্স-টু-বক্স’ ভূমিকায় দুর্দান্ত এক ম্যাচ উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশি মিডফিল্ডার শমিত সোম।
পুরো মাঠ দাপিয়ে বেড়ানোর পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন দুটি গোলও।
পুরো ৯০ মিনিটই মাঠে ছিলেন শমিত।
কসমসের এই জয়ের নেপথ্য কারিগর ছিলেন তিনি। খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করা থেকে শুরু করে আক্রমণভাগে বল জোগান দেওয়া; সবই করেছেন নিপুণভাবে।
এমনকি ফোর্ট ওয়েন যখনই পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছে, রক্ষণ সামলাতেও সমান সক্রিয় দেখা গেছে তাকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না নিউইয়র্ক।
অবশেষে ৪৪ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন তারা। শমিতের নিখুঁত পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে সফরকারীদের লিড এনে দেন লামিন জাওনেহ।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আজমির স্পেংলারের সহায়তায় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সার্জিও চাভেজ। বিরতি থেকে ফেরার দুই মিনিটের মাথায় সেবাস্তিয়ান গুয়েনজাট্টিকে দিয়ে আরেকটি গোল করান স্পেংলার। এতে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় কসমস।
ম্যাচের ৬৬ মিনিটে রায়ান বেচারের গোলে ব্যবধান কমায় ফোর্ট ওয়েন। গোলটি ম্যাচে ফেরার কিছুটা ইঙ্গিত দিলেও তাদের সেই আশায় পানি ঢেলে দেন শমিত সোম।
ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই আবারও নিজের ঝলক দেখান শমিত। তার জাদুকরী পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন জাওনেহ। এতে আবারও তিন গোলের লিড পুনরুদ্ধার করে নিউইয়র্ক। ম্যাচের ওই মুহূর্তটিই জয়ের ভাগ্য গড়ে দেয়।
২৯ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার ম্যাচে ৩৮টি পাসের মধ্যে ৩১টিই সফলভাবে দিয়েছেন, যার মধ্যে সাতটি ছিল প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের আশেপাশে। পাঁচটি লং বলের চারটিই পৌঁছেছে ঠিকানায়। মাত্র ৪৭ বার বল স্পর্শ করলেও এর মধ্যেই দুটি বড় সুযোগ তৈরি করেছেন তিনি।
বল ছাড়াও মাঠে সমান কার্যকর ছিলেন শমিত। তিনটি ট্যাকল জেতার পাশাপাশি দুবার বল রিকভারি করে মাঝমাঠের দখল কসমসের অনুকূলেই রাখেন তিনি।
জোড়া অ্যাসিস্টের সুবাদে ফুটবল ওয়েবসাইট ‘ফোটমব’-এ ৮.৬ রেটিং পেয়েছেন শমিত।