ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ মে, ২০২৬ ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার
ঢাকা: দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। রাজধানীর গাবতলীতে প্রতিবছরের মতো এবারও কোরনাবির ঈদ উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট বসেছে।
ছোট-বড়, মাঝারি আকারের গরু উঠেছে গাবতলীর পশুর হাটে। তবে ক্রেতা বিক্রেতা এবং দর্শনার্থীরদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল ‘কালো জামাই’ নামে একটু গরুকে নিয়ে।
গাবতলীর হাটে বড় জাতের গরুর জন্য আলাদা সামিয়ানা টানিয়ে বিশেষ যত্নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে সিলিং ফ্যানের ব্যবস্থাও রয়েছে, যাতে গরুগুলো হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত না হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে আসা বিশাল আকৃতির বিদেশি হলেস্টিয়ান জাতের কালো রংয়ের এক ষাঁড় গরু, যার নাম রাখা হয়েছে ‘কালো জামাই’, ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মাঝে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
‘কালো জামাই’ নামের গরুটি গাবতলীর হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে এসেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে ইয়াকুব।
শুধু ‘কালো জামাই’ নয় ইয়াকুব ‘সাদা জামাই’ সহ গাবতলী হাটে ছয়টি গরু বিক্রির জন্য এনেছেন। তার সাথে কথা বলে জানা যায়, ছয়টি গরুর মধ্যে দুটি রয়েছে হলেস্টিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। তিনি আদর করে গরু দুটির নাম দিয়েছেন ‘সাদা জামাই’ ও ‘কালো জামাই’।
তিনি আরও বলেন, সাদা জামাইয়ের দাম চাচ্ছি ৪৫ লাখ টাকা এবং কালো জামাইয়ের দাম ৫৫ লাখ টাকা। গরুগুলো আমার নিজের খামারের। সাদা জামাইয়ের বয়স চার বছর, আর কালো জামাইয়ের বয়স সাড়ে চার বছর।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি প্রবাসী ইয়াকুব আরও জানান, ক্রেতাদের আগ্রহ ও প্রস্তাব শুনেই চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করবেন।
ইয়ামিন নামের একজন বন্ধুদের নিয়ে হাটে এসেছেন গরু কিনতে। কিন্তু তিনি নিজের কোরবানির গরু কেনা বাদ দিয়ে ‘সাদা জামাই’ ও ‘কালো জামাই’ নামের গরু দেখছেন। ইয়ামিন তার বন্ধুদের সাথে ‘সাদা জামাই’ ও ‘কালো জামাই’ বিষয়ে আলোচনায় মেতে উঠছেন।
এছাড়াও গাবতলীর হাটে ‘কালো জামাই’ গরুটিকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ এবং জটলা দেখা যায়।
পাশাপাশি পাবনার ফরিদপুর থেকে ১৪টি গরু নিয়ে গাবতলী হাটে লালচাঁদ নামে একটি ও বিদেশি জাতের বেশকয়েকটি গরু নিয়ে এসেছেন মোহাম্মদ মাজেদুল হক। তিনি বলেন, ১২০০ কেজির ‘লালচাঁদ’-এর দাম চাচ্ছি ১৯ লাখ টাকা। ১৪ লাখে ছেড়ে দেব।