ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:০৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৭ বার
বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও বিবাহসংক্রান্ত জালিয়াতি ঠেকাতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা অন্যান্য সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত হলে একজন ব্যক্তির বিবাহসংক্রান্ত তথ্য এক ক্লিকেই পাওয়া যাবে।
আন্তর্জাতিকভাবে ভিসার আবেদনেও এসব তথ্য কাজে লাগবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইন ও বিচার বিভাগ এবং ব্র্যাকের মধ্যে ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস: বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়নে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অনেক অনিয়ম বন্ধ হবে। এর মধ্যে বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ রোধের পাশাপাশি বিবাহসংক্রান্ত জালিয়াতিও ঠেকানো সম্ভব হবে।
বিভিন্ন সার্ভারের সঙ্গে তথ্যব্যবস্থা সংযুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, ‘বাল্যবিবাহ রোধ হবে, বহুবিবাহ রোধ হবে, প্লাস আপনার জালিয়াতি রোধ হবে।
আন্তর্জাতিকভাবে ভিসা নিতে গেলে সেখান থেকেও এক ক্লিকে সমস্ত ইনফরমেশন পাওয়া যাবে।’
আইনমন্ত্রী জানান, প্রকল্পটির আওতায় প্রথমে ১০টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ প্রকল্পে প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
ব্র্যাকের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকারের দুর্বলতার কারণে ব্র্যাককে সম্পৃক্ত করা হয়নি। বরং বিবাহসংক্রান্ত বিষয়ে মাঠপর্যায়ে ব্র্যাকের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ব্র্যাক ইজ ওয়ার্কিং সিন্স ইটস ইনসেপশন। গত ৫৫ বছর ধরে প্রায় সারা বাংলাদেশের গ্রাসরুট লেভেল পর্যন্ত নারীদের এই বৈবাহিক অবস্থানে ব্র্যাক কাজ করছে। তাদের একটা এক্সপেরিয়েন্স আছে। আমরা তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেব আমাদের কাজিদের জন্য। এটা সরকারের দুর্বলতার বিষয় না। আমরা শুধু তাদের এক্সপার্টাইজ কাজে লাগাচ্ছি।’