ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪০ বার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সবাই কুমিল্লাকে বিভাগ হিসেবে চায়। ঠিক আছে- এ কথা শুনতে হবে।
এই দাবি জনগণের দাবি হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে চাঁদপুরের জনসভায় পৌঁছানোর পথে কুমিল্লার বরুড়ার লক্ষ্মীপুরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সব কৃষকের ঋণ ১০ হাজার টাকার মধ্যে এমন ১২ লাখ কৃষকের কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে সরকার। আমরা নির্বাচনের আগে যতগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, অল্প অল্প করে তা বাস্তবায়ন শুরু করেছি।
তিনি বলেন, কুমিল্লার মানুষ কৃষিনির্ভর। তারা কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবি তুলেছেন।
আমি শিগগিরই এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বসব, যাতে যত দ্রুত সম্ভব কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করা যায়। তবে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে আছে। গত ১৭ বছরে দেশকে অনেক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা ধীর ধীরে সব দাবি বাস্তবায়ন করব, কিন্তু ধৈর্য ধরতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বহু রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি। কাছাকাছি সময়ে অনেক দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু তারা যেভাবে উন্নতি লাভ করেছে, আমরা সেভাবে পারিনি। কারণ, আমরা পড়েছি স্বৈরাচারের কবলে। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তারা শহীদ হয়েছে। এখনই সময় দেশকে পুনর্গঠনের।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আজকে চাঁদপুর যাচ্ছি। খাল খননের জন্য ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য। নির্বাচনের আগে আমরা এসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম ইমামদের, ধর্মীয় গুরুদের সম্মানিত করব। আমরা সে কাজ শুরু করেছি। ধাপে ধাপে আপনাদের সব দাবি বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। দেশ গঠনে সবাইকে পরিশ্রম করতে হবে। আল্লাহ পরিশ্রমীদের পছন্দ করেন।
এর আগে কুমিল্লার লাকসামের মুদাফরগঞ্জের আরেকটি পথসভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে এক বছরের মধ্যে ৫০ লাখ মা-বোনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এছাড়া বাজেটেও ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বরাদ্দের কথা বলেন।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও বক্তব্য দেন- কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভুঁইয়া প্রমুখ।