ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৭ মার্চ, ২০২৬ ১০:০২ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৮ বার
সারা দেশের ফিলিং স্টেশন থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অতিরিক্ত চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে।
ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ ১০ লিটার জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে।
এছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) এবং মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নিতে পারবে। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবে।
বিপিসি জানিয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের আমদানি কার্যক্রম মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত বা বিলম্বিত হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তার মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় মজুত ঠেকাতে এ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি।
একই সঙ্গে ভোক্তা ও ডিলারদের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকে।