ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৩০ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২২ বার
ফ্রান্সের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে বাংলাদেশ সরকারের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নিয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লের সঙ্গে আলোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। এ সময় উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগসহ দুই দেশের সহযোগিতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার পাশাপাশি বাংলাদেশে ফরাসি বিনিয়োগ বাড়ানো, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদার এবং দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়। এর পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও মতবিনিময় করেন মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো, পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও নগর ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এ সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়িয়ে দুই দেশের উন্নয়ন অংশীদারত্বকে নতুন মাত্রায় নেওয়া সম্ভব।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ফ্রান্সের উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা এজেন্স ফ্রঁসেজ দ্য ডেভেলপমঁ (এএফডি)-এর চারটি প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। এগুলো হলো—সায়েদাবাদ পানি পরিশোধন প্ল্যান্টের তৃতীয় পর্যায়, ঢাকা এনভায়রনমেন্টালি সাস্টেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্যানিটেশন প্রকল্প ফর নর্থ কাট্টলী ক্যাচমেন্ট এবং ইমপ্রুভিং আরবান গভর্নেন্স অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রকল্প।
এসব প্রকল্পে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ফ্রান্স প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করছে। এর বাইরে ফ্রান্সের সহায়তায় শহর ও পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ, অন্তর্ভুক্তিমূলক স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির উন্নয়নে ‘ওয়াটার সাপ্লাই, ইনক্লুসিভ স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন প্রজেক্ট ইন সেভেন টাউনস অব বাংলাদেশ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে ফ্রান্সের বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।