ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

কর্মক্ষেত্রে আক্রমণের শিকার হয়েছি, নিরাপদ বোধ করছি না

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২৫ অগাস্ট, ২০২৬ ১০:২৯ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৩ বার


কর্মক্ষেত্রে আক্রমণের শিকার হয়েছি, নিরাপদ বোধ করছি না

সহকারী কোচের সঙ্গে হাতাহাতি ও পুলিশ ডাকার ঘটনার পর এবার নিজেই মুখ খুলেছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে বিস্ফোরক সব দাবি করেছেন এই ব্রিটিশ কোচ।

তার অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তিনি শারীরিক আক্রমণের শিকার হয়েছেন এবং বর্তমানে মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তবে সংবাদমাধ্যমে আসা খবরের অনেকটাই অতিরঞ্জিত ও ভুল বলেও দাবি করেন তিনি।

 

ভিডিও বার্তায় জেরার্ড জোন্স বলেন, 'কর্মক্ষেত্রে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আত্মরক্ষার্থেই আমাকে পুলিশ ডাকতে হয়েছিল।

আমি বাফুফেকে (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) আমার প্রাপ্ত আঘাতের ছবি পাঠিয়ো বিষয়টি জানিয়েছিলাম, কিন্তু সেখান থেকে কোনো সাহায্য বা সমর্থন পাইনি। আমি এখনও নিরাপদ বোধ করছি না।

এমন একটি দেশে আছি যেখানে প্রতিনিয়ত সাহায্যের জন্য আকুতি জানাতে হচ্ছে।'

 

প্রয়োজন হলে এই আক্রমণের সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ছবি, অডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য জমা দিতে প্রস্তুত আছেন বলেও জানান তিনি। তবে দলের গোলরক্ষক কোচের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের খবর পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন এই ব্রিটিশ কোচ। জোন্স বলেন, 'গোলরক্ষক কোচের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা হাসাহাসি করি, একে অপরের রুমে যাতায়াত করি এবং ম্যাচে কৌশলগত বিষয় শেয়ার করি। কিন্তু একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।'

 

 

তথ্য ফাঁসের পেছনে কারও নিজস্ব অ্যাজেন্ডা থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আমার পুরো ক্যারিয়ারে কখনোই কাজের জায়গায় শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হয়নি বা সুরক্ষার জন্য পুলিশ কিংবা ব্রিটিশ দূতাবাসের সহায়তা নিতে হয়নি। যখন এএফসি প্রতিযোগিতায় ভালো কিছু করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে, তখন কেন এমনটা করা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়।'

চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও দল ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে এর প্রভাব পড়তে দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন জোন্স। তিনি বলেন, 'আমার মূল মনোযোগ সবসময় ফুটবলারদের ওপরই রয়েছে। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও ছেলেরা মাঠে ভালো পারফর্ম করছে। আমি শুধু একটি নিরাপদ ও ইতিবাচক পরিবেশ চাই, যেখানে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিজের কাজটুকু শেষ করতে পারি।'


   আরও সংবাদ