ঢাকা, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

বাংলাদেশের সেরা পেসার এখন শরিফুল

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২৩ অগাস্ট, ২০২৬ ১০:২৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৮ বার


বাংলাদেশের সেরা পেসার এখন শরিফুল

ইনজুরির কারণে ডারউইন টেস্টে ছিলেন না শরিফুল ইসলাম। দ্বিতীয় টেস্টে একাদশে ফিরেই বল হাতে রেকর্ড গড়লেন বাঁহাতি এই পেসার।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো পেসারের সেরা বোলিং এখন তাঁর। একই সঙ্গে টেস্ট ক্যারিয়ারেও এটাই শরিফুলের সেরা বোলিং।

 

আগের দিন ছয় উইকেট নেওয়া শরিফুল রোববার ক্যামেরন গ্রিনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সপ্তম উইকেটটি তুলে নেন। যদিও আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা শুরুতে আউট দেননি।

বাংলাদেশ রিভিউ নিলে দেখা যায়, গ্রিনের ব্যাটে বল লাগেনি এবং বল ট্র্যাকিংয়ে সেটি মাঝের স্টাম্পে আঘাত করত। ফলে সিদ্ধান্ত বদলে যায়।

১০৫ বলে ১০ চারে ৬৭ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন গ্রিন।

 

এই উইকেটেই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পেসারদের আগের সেরা বোলিংকে ছাড়িয়ে যান শরিফুল। এত দিন এই রেকর্ড ছিল ইবাদত হোসেনের দখলে। ২০২২ সালে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। সেই ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।

এরপর এই তালিকায় ছিলেন হাসান মাহমুদ। চলতি অস্ট্রেলিয়া সফরের ডারউইন টেস্টে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। এবার হাসান ও ইবাদতকে ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো পেসারের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হলেন শরিফুল।

তবে শুধু পেসারদের মধ্যেই নয়, দেশের বাইরে বাংলাদেশের হয়ে এক ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়া বোলারদের তালিকাতেও এখন শরিফুলের নাম। তাঁর আগে এই কীর্তি ছিল কেবল তাইজুল ইসলামের। গত জুনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তাইজুল।

দেশ-বিদেশ মিলিয়ে টেস্টে এক ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়া বাংলাদেশের পঞ্চম বোলারও শরিফুল। তাঁর আগে এই কীর্তি ছিল তাইজুল ইসলাম, সাকিব আল হাসান, এনামুল হক জুনিয়র ও মেহেদী হাসান মিরাজের। তাইজুল তিনবার এই কীর্তি গড়েছেন।

শরিফুলের ৭ উইকেটের পারফরম্যান্সের গুরুত্ব অবশ্য অনেক বেশি। দিনের শুরুতে বাংলাদেশের ব্যাটিং তছনছ করে ১২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মিচেল স্টার্ক। তাঁর তোপে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় মাত্র ৬৪ রানে। স্টার্কের ছয় উইকেটের জবাবে শরিফুল নিলেন সাত উইকেট। পাশাপাশি ব্যাট হাতেও দলের বড় ত্রাতা ছিলেন তিনি।


   আরও সংবাদ