ঢাকা, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুলের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১৩:১৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৩ বার


সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুলের অভিযোগ

সদ্য বিদায়ী পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

জাতিসংঘে আবেদন নিয়ে বিতর্ক
মুশফিকুল ফজল আনসারী জানান, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সহকারী মহাসচিব পদে আবেদন করতে তাকে উৎসাহ দিয়েছিলেন এক বিদেশি সহকর্মী। লাটভিয়ার ব্র্যান্ডস কেহরিসের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পদটি শূন্য হয়।

বিষয়টি তিনি সরকারপ্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করলে তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।

 

তার দাবি, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রাথমিকভাবে সবুজ সংকেত দিলেও আবেদন পাঠানোর পর তাকে ‘not to proceed’ বার্তা পাঠানো হয়। এরপর থেকে তার ফোনকলও আর ধরা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রের সমর্থন পাইনি
রাষ্ট্রদূত জানান, এ ধরনের পদে সদস্য রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক সমর্থন প্রয়োজন হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তিনি বাংলাদেশের সমর্থন নিয়েই এগোতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের দেশের সমর্থন পাননি বলেই হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

মুশফিকুল ফজল আনসারী আরও দাবি করেন, বিষয়টি তিনি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও শেয়ার করেছিলেন এবং তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরিস্থিতি বিব্রতকর করতে চাননি বলে সরাসরি হস্তক্ষেপ চাননি।

 

রাজনৈতিক ইঙ্গিত
পোস্টে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রসঙ্গ টেনে মুশফিক ফজল আনসারী বলেন, বিএনপি মহাসচিব বিষয়টি সম্পর্কে জানতে  চাইলে তাকে জানানো হয়েছিল, মুশফিক জিততে পারবে না, তাই সমর্থন দেওয়া হয়নি। অথচ এ পদে কোনো ভোটাভুটি নেই; জাতিসংঘ নিজস্ব প্রক্রিয়ায় শর্টলিস্ট ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে নিয়োগ দেয়।

সবশেষে তিনি আক্ষেপ করে লেখেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করেও ন্যূনতম সমর্থন পাননি। আর এখন কেউ কেউ বিভিন্ন পদ পাওয়ার জন্য তদবির করছেন বলেও ইঙ্গিত করেন তিনি।

এ বিষয়ে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেনের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

 


   আরও সংবাদ