ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৮ বার
রেলওয়েকে লোকসান থেকে লাভজনক খাতে রূপান্তর এবং লেভেল ক্রসিংগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছ সংসদীয় কমিটি।
সোমবার(২৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২য় বৈঠকে এ নির্দেশ দেওয়া হয় ৷ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগারের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনের স্থায়ী কমিটি কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, মো. আব্দুল মহিত তালুকদার, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো এবং মুহাম্মদ আজীজুর রহমান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দর-ঢাকা রুটে নিয়মিত কন্টেইনার পরিবহন করা হচ্ছে।
পাশাপাশি বিভিন্ন গন্তব্যে জ্বালানি ও খাদ্যশস্য পরিবহন চলমান রয়েছে। তবে বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে মিটারগেজ লোকোমোটিভের সংকট থাকায় উক্ত মালবাহী ট্রেনের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ৩০টি (ত্রিশ) মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের জন্য গৃহীত প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া ইতঃপূর্বে অনুমোদিত ৩০টি (ত্রিশ) মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।
আগামী ২০২৯ সালে মোট ৬০টি (ষাট) মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা হলে কন্টেইনার, জ্বালানি এবং খাদ্যশস্যসহ অন্যান্য মালবাহী ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। এতে বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাবে। অধিকন্তু, বিশ্ব ব্যাংকের গ্রীন রেলওয়ে প্রকল্পের অধীনে ২০টি (বিশ) মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বর্তমানে মোংলা বন্দর হতে টাঙ্গাইলের সয়দাবাদ এবং জয়পুরহাটে সীমিত পরিসরে মোলাসেস পরিবহন করা হচ্ছে। তাছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিকট মোংলা হতে অন্য কোনো পণ্য পরিবহনের চাহিদা নেই।
মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনে জানানো হয়, বর্তমানে ৯৫/৯৬ নং ট্রেনটি মোংলা-বেনাপোল রুটে পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া অতিশীঘ্রই বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে ২০০টি ব্রডগেজ কোচ পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে। ইতোমধ্যে ১৮টি কোচ এসেছে। উক্ত ব্রডগেজ কোচ প্রাপ্তি সাপেক্ষে মোংলা-ঢাকা রুটে ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বৈঠকে অনলাইন রেল টিকিটিং ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে গৃহীত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ রেলওয়েকে লোকসান থেকে ধীরে ধীরে লাভজনক খাতে রূপান্তর এবং লেভেল ক্রসিংগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা প্রদান করে।
বৈঠকে ভাঙ্গা থেকে বরিশাল পর্যন্ত রেললাইনের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং বেনাপোল থেকে খুলনা পর্যন্ত সকালে কমিউটার ট্রেন চালু করার জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়।