ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৩ বার
রাজধানীর মতিঝিলে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেলে ঝুলিয়ে রাখা ব্যাগ থেকে ১০ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ব্যাংক থেকে টাকা তুলে মোটরসাইকেলে ওঠার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কৌশলে ব্যাগটি নিয়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী দীন মোহাম্মদ।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আশপাশের ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করবে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৩টা ১৫ মিনিটে মতিঝিলে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। খোয়া যাওয়া টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধারের পাশাপাশি জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীন মোহাম্মদ অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয় থেকে নিজের হিসাবের বিপরীতে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা উত্তোলনের পর তিনি সেগুলো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ একটি ব্যাগে রাখেন।
এরপর ব্যাংকের সামনে নিজের মোটরসাইকেলে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় তার মোটরসাইকেলে ব্যাগটি ঝুলিয়ে রাখা ছিল।
দীন মোহাম্মদের অভিযোগ, বিকেল আনুমানিক ৩টা ১৫ মিনিটে চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তার কাছে এসে কথা বলতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা মোটরসাইকেলে ঝুলিয়ে রাখা টাকার ব্যাগটি নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যান। আকস্মিক এ ঘটনায় তিনি ১০ লাখ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হারান।
ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পর প্রধান কার্যালয়ের সামনেই এমন ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের টাকা উত্তোলনের পর গ্রাহকদের নিরাপত্তা এবং অপরাধীদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা এ ঘটনা আবারও সামনে এনেছে।
ঘটনার পর দীন মোহাম্মদ মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি খোয়া যাওয়া টাকা ও কাগজপত্র উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পার্শ্ববর্তী ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হবে।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা আটক করা হয়েছে কি না, কিংবা খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।