ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়ম শিথিলের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩১ বার


যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়ম শিথিলের ইঙ্গিত

বিদেশিদের যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে আরও বেশি সময় অপেক্ষা করার প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ। নিজ দল লেবার পার্টি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোর আপত্তির মুখে এ বিষয়ে নমনীয় অবস্থানের ইঙ্গিত দেন তিনি।

 

সোমবার লেবার পার্টির বার্ষিক সম্মেলনে শাবানা মাহমুদ বলেন, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের কিছু অংশ নিয়ে ন্যায্যতার প্রশ্ন উঠেছে। বৈধভাবে যুক্তরাজ্যে আসা মানুষের পাশাপাশি ব্রিটিশ নাগরিকদের স্বার্থও বিবেচনায় নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

 

যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি ‘ইনডেফিনিট লিভ টু রেইমেন’ নামে পরিচিত। এ অনুমতি পেলে একজন ব্যক্তি দেশটিতে অনির্দিষ্টকাল থাকতে, কাজ করতে ও পড়াশোনা করতে পারেন।

 

বর্তমানে দক্ষ কর্মী এবং স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা খাতের নির্দিষ্ট ভিসাধারীরা সাধারণত পাঁচ বছর পর স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারেন। সরকারের প্রস্তাবে এই অপেক্ষার সময় ১০ বছর করার কথা বলা হয়েছে।

কম বেতন ও তুলনামূলক কম দক্ষতার কিছু পেশার ক্ষেত্রে তা ১৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

 

এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন লেবার পার্টির কয়েকজন এমপি। হাউজিং সেক্রেটারি অ্যাঞ্জেলা রেনারও এর সমালোচনা করে বলেছেন, ইতিমধ্যে বৈধভাবে যুক্তরাজ্যে আসা মানুষের জন্য নিয়ম পরিবর্তন করা হলে তা ‘মাঝপথে নিয়ম বদলে দেওয়া’র মতো হবে।

ট্রেড ইউনিয়ন ইউনিসনও প্রস্তাবটি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। সংগঠনটির মহাসচিব আন্দ্রেয়া ইগান বলেন, কঠোর নিয়ম চালু হলে বিদেশ থেকে যাওয়া পরিচর্যা কর্মীরা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিভিন্ন পক্ষের মতামত পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাহমুদও বলেছেন, অভিবাসন ব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ যেমন প্রয়োজন, তেমনি বৈধভাবে যুক্তরাজ্যে এসে জীবন গড়ে তোলা মানুষের প্রতি ন্যায্যতাও নিশ্চিত করতে হবে।

কনজারভেটিভ পার্টি দাবি করেছে, নিজ দলের চাপের কারণেই অবস্থান নরম করছেন মাহমুদ। তবে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম এ দাবি নাকচ করে বলেছেন, সরকার পরিকল্পনা থেকে সরে যায়নি; বিভিন্ন পক্ষের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

সূত্র: বিবিসি


   আরও সংবাদ