ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২০ অগাস্ট, ২০২৬ ১৬:১৪ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০ বার


ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী এই আবেদন করেন।

আবেদনে অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ হাজার জনকে আসামি করার আর্জি জানানো হয়েছে।

 

মামলার আবেদনে আরও যাদের আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রিজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, শিক্ষার্থী সমন্বয়ক আখতার হোসেন, সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, কর্নেল অব. নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, বুলডোজার জোগানদাতা মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী এবং আবুল কালাম আজাদ।

 

আবেদনে বলা হয়, আসামিরা গত বছরের ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো উসকানি ছাড়াই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে ১ থেকে ৯ নম্বর আসামিদের উসকানি, দায়িত্বহীনতা ও মূল নির্দেশনায় বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়।

এতে রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল্যবান দলিলপত্র, সংগৃহীত স্মৃতিচিহ্নসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

 

তাই তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

 


   আরও সংবাদ