ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ অগাস্ট, ২০২৬ ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৭ বার
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনডিবি) ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের (এসডিএফ) নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নতুন ধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা এবং জুলাইযোদ্ধা ও এসডিএফের নেতা আ ন ম আয়াসসহ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শান্তা ফারজানার জুলাইযোদ্ধা আয়াসকে বেধড়ক পেটানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ফ্লোরে উপুড় হয়ে পড়ে আছেন আয়াস।
আর সেফটি স্টিক দিয়ে তাকে বেদম পেটাচ্ছেন শান্তা ফারজানা।
এসডিএফের নেতাদের দাবি, কর্মসূচিতে শান্তা ফারজানা বক্তব্য দেওয়ার সময় জুলাইযোদ্ধা ও বিএনপিকে নিয়ে আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করেন।
এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে নতুন ধারা বাংলাদেশের ভাড়াটে লোকেরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে সংগঠনটির নেতা আ ন ম আয়াসসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
তাদের অভিযোগ, শান্তা ফারজানা বহুদিন ধরেই জুলাই অভ্যুত্থান ও আন্দোলনকারীদের কটাক্ষ করে বক্তব্য রাখছেন। তিনি জুলাইশহীদদেরও পতিত ফ্যাসিবাদের বয়ানে উপহাস ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে আসছেন। একইসঙ্গে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে আসছেন। কিন্তু অজ্ঞাতকারণে তার বিরুদ্ধে আইনি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
অন্যদিকে নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মেহেদি মোমিন অভিযোগ করেন, গত ১ আগস্ট শান্তা ফারজানার ওপর হামলার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলছিল। এসময় আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে একদল লোক এসে তাদের ওপর হামলা চালায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিকের মোবাইল ফোনও নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে শান্তা ফারজানাসহ তাদের দলের বেশ কয়েকজন নেতা আহত হন।
নতুন ধারা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আহতদের ঢামেক হাসপাতালে নেওয়ার পর শান্তা ফারজানাসহ তাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকে হাসপাতালের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। উভয়পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে।
এর আগে, গত ১ আগস্ট জুলাই যোদ্ধা আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে একদল লোক শান্তা ফারজানাকে আঘাত করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।