ঢাকা, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

লক্ষ্মীপুরে হচ্ছে সারের গুদাম

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৫:২৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৪ বার


 লক্ষ্মীপুরে হচ্ছে সারের গুদাম

কৃষকদের কাছে সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সার মজুদের সক্ষমতা বাড়াতে লক্ষ্মীপুরে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণ করবে সরকার। এ কাজে ব্যয় হবে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

 

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) বাস্তবায়নাধীন 'সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (১ম সংশোধিত)' প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার শাকচর মৌজায় ৩ দশমিক ৮ একর জমির ওপর গুদামটি নির্মাণ করা হবে। কাজটি বাস্তবায়ন করবে মেসার্স এমবিএল-আরইএল (জেভি)।

 

প্রকল্পটি প্রথমে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পায়। সে সময় ১ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

 

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রথমে ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল একনেক সভায় প্রথম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়।

এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে ২ হাজার ৪৮২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে আবারও ব্যয় অপরিবর্তিত রেখে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

প্রকল্পের আওতায় মোট ৬টি প্যাকেজে প্রথমে ১৮টি লট থাকলেও পরে পুনর্বিন্যাস করে তা ২৮টি লটে উন্নীত করা হয়। লক্ষ্মীপুরের গুদামটি প্যাকেজ-১-এর লট-৫-এর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯২ লাখ ৭৬ হাজার ৫১৯ টাকা।

সরকারি প্রাক্কলন অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুরের গুদাম নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৪ কোটি ৫৬ লাখ ৮৭ হাজার ৫২০ টাকা। তবে দরপত্রে সর্বনিম্ন দর দেয় মেসার্স এমবিএল-আরইএল (জেভি), যার মূল্য ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৮১৪ টাকা। এটি সরকারি প্রাক্কলনের তুলনায় প্রায় ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কম।

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি প্রতিষ্ঠানটিকে কারিগরি ও আর্থিকভাবে যোগ্য বিবেচনা করে তাদের অনুকূলে কার্যাদেশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। কমিটি জানিয়েছে, মূল্যায়ন কার্যক্রম সরকারি ক্রয় আইন-২০০৬ এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা-২০০৮ অনুসারে সম্পন্ন হয়েছে।

সূত্র জানায়, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির (সিসিজিপি) পরবর্তী বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদন মিললে লক্ষ্মীপুরে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার বাফার গুদাম নির্মাণের কাজ শুরু হবে।


   আরও সংবাদ