ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ইংল্যান্ডকে শেষ ১৬-তে তুললেন হ্যারি কেইন

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২ জুলাই, ২০২৬ ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৩ বার


ইংল্যান্ডকে শেষ ১৬-তে তুললেন হ্যারি কেইন

আটলান্টার মাঠে ম্যাচের একটা বড় সময়জুড়ে মনে হচ্ছিল, চলতি বিশ্বকাপ থেকে বুঝি অকালেই বিদায় নিতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। 

কিন্তু ফুটবল-বিধাতা হয়তো অন্য কিছু লিখে রেখেছিলেন।

ঠিক সময়ে জ্বলে উঠলেন হ্যারি কেইন। তার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ১৬-এর টিকিট নিশ্চিত করেছে থ্রি-লায়ন্সরা।

 

 

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো। আর সেখানে জিতলে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইংলিশদের।

 

বুধবারের এই জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপে হ্যারি কেইনের মোট গোল সংখ্যা দাঁড়াল ১৩-তে। এর মধ্যে চলতি আসরেই তিনি করেছেন ৫টি গোল, যা তাকে আর্লিং হালান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে নিয়ে এসেছে।

একই সঙ্গে এই ম্যাচেই তিনি টপকে গেছেন ফুটবল সম্রাট পেলের ১২ গোলের রেকর্ডকে।

 

এই জয়ের ফলে ১৯৬৬ সালের পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তোলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল ইংল্যান্ড।

ইতিহাসের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়া ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো) ম্যাচের শুরুতেই সবাইকে চমকে দেয়। রক্ষণাত্মক না খেলে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের ওপর চড়াও হয় তারা। এই সাহসিকতার পুরস্কারও মেলে ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটে। এমবেম্বার চমৎকার পাস থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে গোল করে কঙ্গোকে এগিয়ে নেন সিপেঙ্গা।

ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামা ইংল্যান্ড এই গোল খেয়ে কিছুটা থমকে গিয়েছিল। প্রথমার্ধের পানি পানের বিরতির পর ইংলিশরা গুছিয়ে উঠতে শুরু করলেও কঙ্গোর গোলরক্ষক এমপাসি একের পর এক দারুণ সেভ করে তাদের হতাশ করেন। একবার অবশ্য এমপাসিকে পরাস্ত করতে পেরেছিল ইংল্যান্ড, কিন্তু রাশফোর্ডের নেওয়া শটটি গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার ওয়ান-বিসাকা।

সময় যত গড়াচ্ছিল, ইংলিশ শিবিরে চাপ তত বাড়ছিল। উল্টোদিকে আফ্রিকার দলটির সামনে তৈরি হচ্ছিল ইতিহাস গড়ার সুযোগ। গোলরক্ষক এমপাসি যেন চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে কোচ থমাস টুখেল ডাগআউটে বড় পরিবর্তন আনেন। তিনি রাশফোর্ড, মাদুয়েকে এবং স্পেন্সকে তুলে মাঠে নামান গর্ডন, সাকা এবং এজেকে। কোচের এই চালই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্থের ৩০ মিনিটে গর্ডনের ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। কঙ্গোর গোলরক্ষক এমপাসি বলটির নাগাল পেলেও গোল আটকাতে পারেননি। এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই (৪১ মিনিটে) আবারও দৃশ্যপটে হাজির সেই ‘হ্যারিকেন’। এবার আর গোলরক্ষককে কোনো সুযোগ না দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। আর তাতেই নাটকীয় জয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।


   আরও সংবাদ