ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ জুন, ২০২৬ ১৫:০৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২১ বার
বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। মঙ্গলবারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এসব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২,১৫,৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে।
এতে আশা করা যায়, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে, ২০২৬ সালের মধ্যে তাদের হার শতকরা ৫-৬ ভাগে নেমে আসবে।
গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে প্রাপ্ত সফলতা:
১। সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ৬,১৫,৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
২। উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ১,৯৯,৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
৩। পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ১,৭৪,৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
৪। পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ৮৮,২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
৫। অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ১,৩৮,০৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।