আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ জুন, ২০২৬ ১৫:১৪ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২১ বার
লেবাননের পুরো ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের অঙ্গীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি আরও জোরদার করা হবে এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, লেবাননের পুরো ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত মোতায়েন করা হবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রস্তাবিত এই কাঠামোর আওতায় দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধাপে ধাপে সরে যাওয়ার বিষয়টি হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
তবে লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি এই প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তাঁর অভিযোগ, এটি কার্যত লেবাননের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি চুক্তি এবং এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের অভ্যন্তরে বিভাজন ও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।
হিজবুল্লাহও প্রস্তাবিত নিরাপত্তা কাঠামো প্রত্যাখ্যান করেছে।
সংগঠনটির দাবি, এই পরিকল্পনা লেবাননের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী এবং তারা নিরস্ত্রীকরণের শর্ত মেনে নেবে না।
অন্যদিকে, ইসরায়েল জানিয়েছে, হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি দূর না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের সেনা উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে।
এ পরিস্থিতিতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: দ্য ডন