ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ জুন, ২০২৬ ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০ বার
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা মামলার ৮ দিনের মাথায় চার্জশিট দাখিল হয়েছে। দ্রুততম সময়ে এই চার্জশিট দাখিলে ভুক্তভোগীসহ সাধারণ মহলে প্রশংসিত হয়েছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চাঞ্চল্যকর এই মামলার চার্জশিট দাখিল করে জেলা পুলিশ।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৪ জুন সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির পাশ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুটি নিখোঁজ হয়।
এরপর সেদিন রাতে বাড়ির পাশের কংস নদের বাঁকে তল্লাশি চালিয়ে শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে রাতেই মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি হিসেবে গোসল করাতে নেওয়া হলে শিশুটির শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এ ঘটনায় ১৫ জুন রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনে মামলা করেন। ওই মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করলেও এলাকার মারুফ মিয়া (১৯), আরিফ মিয়া (১৯), রাকিব মিয়া (২১) ও মো. সাঈম মিয়াকে (১৯) সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এরপর দফায় দফায় পুলিশের অভিযানে চার তরুণকে গ্রেপ্তারের পর তারা ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তনয় সাহার আদালতে আসামিরা ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতেই চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, খুব দ্রুততর সময়ের মধ্যেই ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ রিপোর্ট পেয়েছি এবং ঘটনা যাচাই বাছাই শেষে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছি। এতে আসামিরা তাদের সম্পৃক্ততা যে স্বীকার করেছে এবং তার আলোকে আমরা সাক্ষ্য সংগ্রহ করেছি এবং সেই আলোকেই এই চার্জশিটটা দাখিল করেছি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।