স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ মে, ২০২৬ ১১:০৩ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৮ বার
আর মাত্র এক মাসের অপেক্ষা, তারপরেই পর্দা উঠবে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ, ফুটবল বিশ্বকাপের। ঠিক এই মাহেন্দ্রক্ষণে নিজেদের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।
আর এই দলের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন সেলেসাওদের পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়র।
ব্রাজিলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কোচ কার্লো আনচেলত্তি একটি বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর বার্তা দিয়ে আসছিলেন শুধুমাত্র তারকাখ্যাতি বা অতীত রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়া যাবে না।
শতভাগ ফিটনেস এবং প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে নিয়মিত পারফরম্যান্সই স্কোয়াডে ঢোকার একমাত্র মাপকাঠি। লিগামেন্টের গুরুতর চোটের কারণে বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে থাকায় আনচেলত্তির সর্বশেষ দলগুলোতে তাই জায়গা পাননি নেইমার।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ের বিপক্ষে চোটে পড়ে প্রায় এক বছরের জন্য ছিটকে গিয়েছিলেন এই সুপারস্টার। তবে এবার নিজের ফিটনেস প্রমাণ করেই দলে ফিরেছেন তিনি।
গত কয়েক মাসে দৃশ্যপট অনেকটাই বদলেছে। নিজের শৈশবের ক্লাব সান্তোসে যোগ দিয়ে যেন পুনর্জন্ম হয়েছে নেইমারের। সান্তোসের জার্সিতে ১২ ম্যাচ খেলে ৫টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ৩টি গোল করিয়েছেন তিনি। তার এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ব্রাজিলিয়ান লিগে সান্তোসের যেমন উন্নতি হয়েছে, তেমনি কোপা সুদামেরিকানায়ও দারুণ খেলছে দলটি।
প্রাথমিক দলে ডাক পেলেও বিশ্বকাপের চূড়ান্ত টিকিট এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয় নেইমারের জন্য। আগামী ১৮ মে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। সেই কাঙ্ক্ষিত তালিকায় জায়গা করে নিতে পারলেই নিজের ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন ব্রাজিলের এই পোস্টারবয়।
একনজরে ব্রাজিলের প্রাথমিক স্কোয়াড:
ফরোয়ার্ড:
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), নেইমার (সান্তোস), গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি (আর্সেনাল), রিচার্লিসন (টটেনহ্যাম), মাতেউস কুনিয়া (ম্যান ইউনাইটেড), অ্যান্টনি (রিয়াল বেতিস), লুইজ হেনরিক (জেনিত), জোয়াও পেদ্রো (চেলসি), এন্দ্রিক (লিও), রায়ান (বোর্নমাউথ), ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), পেদ্রো (ফ্লামেঙ্গো), ইগর জেসুস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), কাইও জর্জ (ক্রুজেইরো)।
মিডফিল্ডার:
কাসেমিরো (ম্যান ইউনাইটেড), ব্রুনো গিমারেশ (নিউক্যাসেল), লুকাস পাকেতা (ফ্লামেঙ্গো), ফাবিনিও (আল-ইত্তিহাদ), আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি), দানিলো (বোতাফোগো), গ্যাব্রিয়েল সারা (গালাতাসারাই), জোয়াও গমেস (উলভস), আন্দ্রেয়াস পেরেইরা (পালমেইরাস), জোয়েলিনটন (নিউক্যাসেল), গারসন (ক্রুজেইরো), মাতেউস পেরেইরা (ক্রুজেইরো)।
ডিফেন্ডার:
মার্কিনিওস (পিএসজি), থিয়াগো সিলভা (পোর্তো), গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস (আর্সেনাল), ব্রেমার (জুভেন্টাস), অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো), লিও পেরেইরা (ফ্লামেঙ্গো), ইবানেজ (আল-আহলি), আলেক্সান্দ্রো (লিল), ফাব্রিসিও ব্রুনো (ক্রুজেইরো), বেরালদো (পিএসজি), ভিতর রেইস (জিরোনা), মুরিলো (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), ওয়েসলি (রোমা), দানিলো (ফ্লামেঙ্গো), পাউলো হেনরিক (ভাস্কো), ভিতিনিও (বোতাফোগো), ডগলাস সান্তোস (জেনিত), লুসিয়ানো জুবা (বাহিয়া), কাইও হেনরিক (মোনাকো), কাইকি (ক্রুজেইরো), কার্লোস আগুস্তো (ইন্টার)।
গোলরক্ষক:
আলিসন বেকার (লিভারপুল), এদেরসন (ফেনেরবাহচে), বেন্তো (আল-নাসর), জন (ফরেস্ট), হুগো সুজা (করিন্থিয়ান্স), কার্লোস মিগুয়েল (পালমেইরাস)।