আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪ বার
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের (গালফ) নিরাপত্তা কেবল আঞ্চলিক বিষয় নয়, বরং এটি এখন বৈশ্বিক নিরাপত্তার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খুলাইফি। একইসঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে যুদ্ধের পথ পরিহার করে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দোহার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে উল্লেখ করে আল-খুলাইফি বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র এবং যুদ্ধের অন্য পক্ষগুলোকে শান্তির পথে ফেরার জন্য উৎসাহিত করছি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনার টেবিলে বসা ছাড়া বিকল্প নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ববাজারের ওপর পড়ছে, তাই এটি নিরসনে বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে চলাচলের স্বাধীনতার ওপর আসা হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কাতারের এই মন্ত্রী। ইরান কর্তৃক এই নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, এই জলপথের নিরাপত্তা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
বিশ্বের অনেক দেশই মনে করে এর একটি তাৎক্ষণিক সমাধান প্রয়োজন। উল্লেখ্য, কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলো এই পথেই বিশ্বে তেল ও গ্যাস সরবরাহ করে থাকে।
সাম্প্রতিক সময়ে কাতারের ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আল-খুলাইফি। তিনি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলো ইরানের শত্রু নয়, কিন্তু ইরানিরা সেটি বুঝতে পারছে না।
ক্রমাগত হামলা চালিয়ে তারা দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ক্ষতি করছে, যা ইরানের কোনো উপকারে আসবে না। ওমানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দোহা বরাবরই কূটনীতির আহ্বান জানিয়ে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সংঘাতের পরিধি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ব্যাংকের এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আল-জিহাদ এলাকায় একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই এরবিল বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী।