ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ইরানের হুমকিকে পরোয়াই করেন না ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ৯ মার্চ, ২০২৬ ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩৫ বার


ইরানের হুমকিকে পরোয়াই করেন না ট্রাম্প

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কড়া হুঁশিয়ারিকে পাত্তাই দিচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন হামলায় ইরান যে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে, তার জন্য ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে ‘মূল্য দিতে হবে’; ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানির এমন মন্তব্যের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এসব হুমকিতে তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত নন।

শনিবার রাতে সিবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অনড় অবস্থানের কথা জানান ট্রাম্প। লারিজানির নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে কী বলেছে বা সে কে, তা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।

আমি তাকে পরোয়াই করি না। লারিজানি অনেক আগেই পরাজিত হয়েছেন।

 

আলি লারিজানি বর্তমানে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশটির পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত আসে এই পরিষদ থেকে, যেখানে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যুক্ত থাকেন।

 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লারিজানি এক পোস্টে লেখেন, আমাদের নেতা ও জনগণের প্রতিটি ফোঁটা রক্তের প্রতিশোধ আমরা নেবই। ট্রাম্পকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তিনি তা দেবেন। 

মূলত যুদ্ধের শুরুর দিকে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই লারিজানি ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নেতাদের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হুমকির জেরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পথ প্রায় রুদ্ধ হয়ে পড়েছে।

সংঘাত আজ নবম দিনে গড়িয়েছে। আঞ্চলিক নেতারা যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও ট্রাম্প তার অবস্থানে অনড়।

 

ইরানের অন্যান্য নেতাদের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্প পুনরায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ না ইরান ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করছে, ততক্ষণ দেশটিতে মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে ইরানে মার্কিন স্থলসেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শনিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যদি প্রয়োজন হয়, তবে আমরা স্থলসেনা পাঠাব।

আর যদি তেমন কিছু ঘটে, তবে ইরান এমনভাবে ধ্বংস হবে যে তারা আর কোনোদিন যুদ্ধ করার সক্ষমতা ফিরে পাবে না।

 


   আরও সংবাদ