ঢাকা, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

শিক্ষায় কাঠামোগত পরিবর্তনে গুরুত্ব দিতে চান তারেক রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬ ১৯:৫৪ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০ বার


 শিক্ষায় কাঠামোগত পরিবর্তনে গুরুত্ব দিতে চান তারেক রহমান

শিশু-কিশোরদের অনলাইন আসক্তি থেকে দূরে রাখতে শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

তিনি বলেছেন, শুধু একাডেমিক পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার সঙ্গে খেলাধুলা, শিল্প ও সংস্কৃতিকে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করতে চান।

শনিবার (২৪জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সঙ্গে আয়োজিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

 

তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে শিশুরা পড়ালেখাকে চাপ হিসেবে না নেয়, বরং আনন্দের সঙ্গে শেখে। তিনি জানান, ভবিষ্যৎ শিক্ষানীতিতে শুধু বইয়ের পড়া নয়, খেলাধুলাতেও পাস করার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পাঠ্যক্রমে আর্ট অ্যান্ড কালচার অন্তর্ভূক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তিনি বলেন, শিশুরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে তাদের সময়ের বড় একটি অংশ গঠনমূলকভাবে কাটবে।

এতে করে অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও অনলাইন আসক্তি কমানো সম্ভব হবে।

 

প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, স্কুল ভবন নির্মাণের চেয়ে শিক্ষকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়ানো বেশি জরুরি। এজন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাডেমিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ শেখানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সামাজিক অবক্ষয় ও মব জাস্টিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের ন্যায়-অন্যায়ের শিক্ষা দেওয়া গেলে ভবিষ্যতে এসব সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

 

অনুষ্ঠানে জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সঙ্গে তরুণদের ভাবনা, শিক্ষা, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

প্রসঙ্গত, বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতায় দেশব্যাপী প্রায় আড়াই হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন। জনমত ও জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের মাধ্যমে সেখান থেকে ১০ জন বিজয়ী নির্বাচিত হন।


   আরও সংবাদ