ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৫৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৪ বার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অখণ্ড বাসুদেব ইউনিয়ন পুনর্বহালের দাবিতে করা সড়ক ও রেলপথ অবরোধ তুলে নেওয়ায় প্রায় সোয়া পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে সুলতানপুর-চিনাইর-আখাউড়া আগরতলা সড়কেও ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে তিতাস সেতু ও কোড্ডা কেবিন এলাকায় রেল ও সড়ক পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের বাসিন্দারা। পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে অবরোধকারীরা রেল ও সড়কপথ থেকে সরে যান।
তবে দাবি না মানলে প্রতিদিন একই ধরনের আন্দোলন করার আল্টিমেটাম দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
ভোর থেকে দীর্ঘ সোয়া ৫ ঘণ্টা অবরোধের কারণে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, উপকূল এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেনের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ছয়টি গ্রাম আলাদা করে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়।
গ্রামগুলো হলো- কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল।
নতুন ইউনিয়নটিকে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়।
পরে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার পর আন্দোলনকারীরা আগামী তিনদিনের জন্য তাদের অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্দোলনকারীদের কয়েকজনকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত মাস্টার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রেলপথ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়া ট্রেনগুলো গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।