আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৫০ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৬ বার
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টিসহ (সিজেপি) কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত দিল্লিতে অন্তত পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারীকে আটকে রাখতে স্টেডিয়ামগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপ, ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) কেন্দ্রীয় সভাপতি নেহা বোরা, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বেলা ২টা পর্যন্ত দিল্লিতে পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনালের (এএনআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া অব্যাহত রেখেছে। গতকাল শুক্রবার রাত একটা থেকেই বিক্ষোভকারীরা দিল্লি যন্তর মন্তরের দিকে জড়ো হতে শুরু করেন।
যন্তর মন্তরের দিকে যাত্রা করা বাসগুলো এবং দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে হাজারো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
অভিজিৎ দিপ ছাড়াও সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, রত্না সিং সহ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রথম সারির বেশির ভাগ নেতাকে আটক করা হয়েছে।
আটক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদের মধ্যে রয়েছেন কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, নেতা এমভি গোবিন্দন মাস্টার, এ বিজয়রাঘবন, কে কে শৈলজা, জন ব্রিটাস, কে এন বালাগোপাল, বৃন্দা কারাত প্রমুখ। মুম্বাইয়ে আটক করা হয়েছে মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র ও ‘হাম ভারতকে লোগ’ সংগঠনের সভাপতি তুষার গান্ধীকেও।
জাতীয় রাজধানীজুড়ে স্টেডিয়ামগুলোকেও অস্থায়ী আটক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এখানে আটক বিক্ষোভকারীদের রাখা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য হিন্দু ও এএনআই