ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

জ্বালানি সংকটের বোঝা সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৪ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩৬ বার


জ্বালানি সংকটের বোঝা সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট এত বড় যে এর বোঝা সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, প্রত্যেককে এটার কিছু সংকট নিতে হবে।

এই সংকট মোকাবিলায় সরকারসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

 

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

জ্বালানি সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সংকট এতটাই বড় যে এর বোঝা সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ জ্বালানি প্রথমে কমানো হয়েছে, সম্প্রতি আরও ৩০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে।

এই বরাদ্দে বাস্তবে চলা সম্ভব নয়, প্রয়োজনে ব্যক্তিগত খরচে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারি খাত নয়, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে।

অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত ও ব্যয় সীমিত করার ওপর জোর দেন তিনি। তবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বাজার ও অফিস কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ না করার পক্ষেও মত দেন।

 

সরকার জনগণের কল্যাণেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার চায় মানুষ ভালো থাকুক, কাজ করুক, আয় করুক। তাতে ভ্যাট ও কর আদায় বাড়বে, যা আবার জনকল্যাণে ব্যয় করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করছে বলে জানান তিনি।

সরকারি ব্যয়সংকোচন নীতি প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, মন্ত্রীদের জ্বালানি বরাদ্দ কমানোর পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে নতুন সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। যেমন– উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ি ঋণ সুবিধা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে প্রশাসন ও বিচার বিভাগে জ্বালানি সুবিধা কমানোর বিষয়টি এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেখানে এখনো এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি, সেসব ক্ষেত্রেও কীভাবে সমন্বয় আনা যায়, তা আমরা বিবেচনা করব।

অনলাইনে ক্লাস নিলে শিশুরা মোবাইলে আসক্ত হয়ে যাবে– এ বিষয়টা কীভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শিশুদের মোবাইল আসক্তি এখন ঘরে ঘরে একটি বাস্তব সমস্যা। এটি ভালো নয় এটা যেমন সত্য, তেমনি বর্তমান বাস্তবতায় কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতাও বেড়েছে। পরিস্থিতির কারণে স্কুলে যাতায়াতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবহন ব্যবহার বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনার কথাও ভাবা হচ্ছে।


   আরও সংবাদ