ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩২ বার
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রোববার সাভার এবং কুমিল্লা সেনানিবাস সফর করেছেন। এ সময় সাভার সেনানিবাস-সংলগ্ন আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেনাবাহিনী প্রধান। পরবর্তীতে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে অবস্থিত আর্মি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন এবং ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানায়।
এক বার্তায় বলা হয়, সাভারে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট এ প্রতিষ্ঠানে স্নায়ুরোগ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, অভিযানিক দায়িত্বে ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের প্রচলিত ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির পাশাপাশি আধুনিক রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসা প্রদান করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লা সেনানিবাসের নিজস্ব জায়গায় এরিয়া সদর দপ্তর, কুমিল্লা কর্তৃক প্রদত্ত ৫ একর জমির ওপর আর্মি মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লার একাডেমিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। রোববার সেনাবাহিনী প্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে ৭ দশমিক ৭ একর জমির ওপর নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হলো। বর্তমানে এ কলেজে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ছয়টি ব্যাচে এ প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসক হিসেবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশ ও বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কলেজটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, ডিরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা, সেনাসদর ও এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।