ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

তিল ধারণের ঠাঁই নেই বিপণিবিতানে

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১২ মার্চ, ২০২৬ ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৪ বার


তিল ধারণের ঠাঁই নেই বিপণিবিতানে

রাজধানীর মৌচাক এলাকা পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য কেনাকাটার জন্য জনপ্রিয়। এ এলাকায় মৌচাক ও আনারকলি মার্কেটের পাশাপাশি রয়েছে ফরচুন মার্কেট ও সেন্টার পয়েন্ট নামে আরও দুটি শপিং মল। সেগুলোও এখন জনপ্রিয়। সবমিলিয়ে ঈদের কেনাকাটার জন্য এ এলাকার শপিং মলগুলো সবসময়ই ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় এগিয়ে থাকে।

এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঈদ ঘিরে এ এলাকার বিপণিবিতানে যেন এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

 

বুধবার (১১ মার্চ) ওই এলাকায় ঘুরে পোশাকের দোকানে, বিশেষ করে মেয়েদের পোশাকের দোকানে ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। মার্কেট ও মার্কেটের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন পোশাকের ব্র্যান্ডের শো রুমগুলোতেও ভিড় ছিল।

বাদ যায়নি এলাকার ফুটপাতগুলোও।

 

ঘুরে দেখা গেছে, মেয়েদের রেডিমেড স্টিচ ও আনস্টিচ ড্রেস (সেলাই করা ও সেলাই ছাড়া) যেমন– জামা, টু-পিস, থ্রি-পিসের দোকানে ভিড় বেশি। সে তুলনায় ভিড় অনেকটাই কম গজ কাপড় ও শাড়ির দোকানগুলোতে।

banglanews24

শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা ঋতু আক্তার বলেন, ঈদের এখনো ১০ দিনের মতো বাকি।

মানুষের ভিড় থাকবে আশা করেছিলাম। তবে এত ভিড় হবে ভাবতে পারিনি।

 

মার্কেটের পাশাপাশি এ এলাকায় রাস্তায়ও বসেছে সারি সারি দোকান। জামা, জুতা, অলংকারসহ নানা রকম দোকানে কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা। ক্রেতা সামলাতে ব্যস্ত দোকানিদের সঙ্গে তাই কথা বলার ফুরসত পাওয়াও মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়।

ড্রেস কর্নারের কর্ণধার আবু হোসেন বলেন, মাসের শুরু, অনেকের বেতন-ভাতা হচ্ছে। সে কারণে কেনাবেচা বেড়েছে।

 

সেন্টার পয়েন্ট মার্কেটের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার প্রায় পুরোটা জুড়ে আছে শিশু আর নারীদের পোশাকের সমাহার। এ মার্কেটে ঢুকে নিচতলা থেকে দ্বিতীয় তলায় আসতেই অনেক সময় পেরিয়ে যায়। পুরো জায়গায় মানুষের ভিড় ঠেলে চলাফেরা করছেন ক্রেতারা। দোকানগুলোতে ওয়ান-পিস, টু-পিস, থ্রি-পিসসহ নানা রকমের রঙিন পোশাক বিক্রি হচ্ছে। আছে নারীদের শাড়ি, ওড়না, প্রসাধনীসহ আনুষঙ্গিক নানা কিছু। সব দোকানেই প্রচুর ভিড়।

banglanews24

এসব মার্কেটে ছেলেদের পোশাকেরও কিছু দোকান রয়েছে। কিন্তু মেয়েদের পোশাকের দোকানে যতটা ভিড়, ছেলেদের পোশাকের দোকানে তেমনটা নয়। এসব দোকানে আছে ক্যাজুয়াল শার্ট, ফরমাল শার্ট, টি-শার্ট, হাফহাতা শার্ট, পাঞ্জাবি, ফরমাল প্যান্ট, জিনস প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্ট, থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ও ট্রাউজার। তবে মৌচাকের পাশে আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স পাঞ্জাবির মার্কেটে ভালো ভিড় দেখা গেছে।

আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সে পাঞ্জাবির দাম শুরু ৭০০ টাকা থেকে। পাঞ্জাবির সঙ্গে পরার জন্য কটি কেনা যাচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে। তবে পছন্দসই পাঞ্জাবি কিংবা কটি কিনতে গেলে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার টাকারও বেশি।

অন্যদিকে এ এলাকার মার্কেটগুলোতে মেয়েদের ওয়ান-পিস, টু-পিস, থ্রি-পিসের দাম এক হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। শাড়ি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে বেশি কিনছেন ক্রেতারা। পাশাপাশি ৩০০ থেকে দেড় হাজার টাকার মধ্যে মিলছে শিশুদের শার্ট, প্যান্ট, গেঞ্জির মতো নানা পোশাক।

জুতার দোকান ঘুরে দেখা যায়, ছোটদের জুতা মিলছে ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। ছেলে-মেয়েদের জুতার দাম শুরু ৮০০ টাকা থেকে। এছাড়া চামড়ার ব্যাগ এক হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে বেশি বিক্রি হতে দেখা গেছে।


   আরও সংবাদ