ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৭ মার্চ, ২০২৬ ১০:০১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৮ বার
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সবসময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।
ইফতারের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, আজকের এই ইফতার শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, এটি স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্ব। এই মূল্যবোধই শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।
তিনি বলেন, সরকার স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। দেশে আইনশৃঙ্খলা সুদৃঢ় রাখা, নারীদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি ও নতুন উদ্যোক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসঙ্গে শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সমমর্যাদা, পারস্পরিক স্বার্থ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়।
ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে বসে সঙ্গে ইফতার করেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কারমা হামু দর্জি, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এবং শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত ধর্মপাল বীরাককোডি।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রাজিল, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, থাইল্যান্ড, কাতার, ওমানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা ইফতারে অংশ নেন।
বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, খলিলুর রহমান, মিজানুর রহমান মিনু, জহির উদ্দিন স্বপন, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, খন্দকার মুক্তাদির চৌধুরী, জাকারিয়া তাহের সুমন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, শেখ রবিউল আলম, আরিফুল হক চৌধুরী, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শামা ওবায়েদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান ও ইশরাক হোসেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এমামুল হক চৌধুরী, জিয়া উদ্দিন হায়দার ও রাশেদুল হক।
এ ছাড়া মন্ত্রীপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।