ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৯ বার
চট্টগ্রাম: বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করেছে ধানের শীষের দলটি। কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের মধ্যে বিএনপি জিতেছে ২১টি। জামায়াত জিতেছে দুটি আসনে।
এ ফলাফলকে বিএনপির ঘাঁটি পুনরুদ্ধার ও ভূমিধস জয় বলছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি জামায়াত সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম-১৫) আসন পুনরুদ্ধার করার পাশাপাশি বিএনপির শক্তিশালী বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার সুযোগ নিয়ে বাঁশখালী (চট্টগ্রাম-১৬) আসনও জিতে নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা জয় পেলেও উচ্চ আদালতের আদেশে ফটিকছড়ি ও সীতাকুণ্ডে ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির জয়ের নেপথ্যে অনেক ফ্যাক্টর কাজ করেছে।
প্রধানত বিগত সময়ে হামলা, মামলা, গুম, খুন, হয়রানিতে অতিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের নীরব ঐক্য ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনী প্রচারণায় শোডাউনের চেয়ে এলাকাভিত্তিক ভোট কাস্টিংয়ে গুরুত্ব দিয়েছে বিএনপি। তৃতীয়ত, চট্টগ্রামে সুন্নি জোট, কওমি ধারা, জামায়াতসহ ইসলামী শক্তির বিভাজনের সুফল বিএনপি পেয়েছে। বিশেষ করে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১১ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে যাওয়া, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর ভোটের আগমুহূর্তে জামায়াতবিরোধী বিবৃতি, সুন্নি জোটের কর্মী-সমর্থকরা নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোয় বিএনপির সুবিধা হয়েছে।
চতুর্থত, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হওয়ায় কর্মী-সমর্থক বেশি থাকায় ভোটব্যাংকও বড় হয়েছে। পঞ্চমত, ভোটের আগে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে দেশ-বিদেশে রব ওঠায় বিএনপি আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছিল, যাতে কোনো অবহেলা, গাফিলতি, ফাঁক ছিল না। ষষ্ঠত, ১১ দলীয় জোটের সিনিয়র নেতাদের কিছু বিতর্কিত বক্তব্য ও মন্তব্য ভাইরাল হয়ে পড়ে, যা ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’ হয়ে ওঠে। এতেও জনমত প্রভাবিত হয় বিএনপির দিকে। সপ্তমত, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা প্রক্রিয়া থেকে সরে আসার দাবিতে বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতৃত্বে টানা কর্মবিরতিতে সাফল্য ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলেছে।
এনসিটি ইজারা চুক্তি থেকে অন্তর্বর্তী সরকার সরে আসায় শ্রমিকদের বিজয় হিসেবে নেন ভোটাররা। সর্বোপরি বিএনপির ইশতেহার, ৩১ দফা, দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভোটের মাঠে দেখে সাধারণ ভোটারদের আস্থা বেড়েছে।
এর বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী বৃহত্তর চট্টগ্রামে মাত্র দুইটি আসনে জিতেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। আসনটি জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত যুগের পর যুগ ধরে। এবার জামায়াতের চমক ছিল চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জয়লাভ। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম জয়লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৩ হাজার ১৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট। অর্থাৎ ১০ হাজার ৬২ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থী জিতেছেন। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৯২ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা পেয়েছে ৪ হাজার ৫৪ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ার পেয়েছে ৮৪৪ ভোট। স্থানীয়রা মনে করছেন, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিজস্ব ভোটব্যাংকে ভাগ না বসালে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এখানে সহজ জয় পেতেন।
বৃহত্তর চট্টগ্রামে আসন দুইটি পেলেও বেশিরভাগ আসনেই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল জামায়াত। সুশৃঙ্খল দল হিসেবে চেইন অব কমান্ড মেনে চলার পাশাপাশি এবার জামায়াত ভোটের মাঠে নতুন বেশ কিছু বিষয় সামনে নিয়ে এসেছিল। বিশেষ করে, বেশিরভাগ জামায়াত প্রার্থী ছিলেন ছাত্রসংঘ বা ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে জামায়াতের নারী শাখা ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ডোর টু ডোর প্রচারণা, মিছিলসহ ভোটের মাঠে সরব ভূমিকা। যা মাথাব্যথা ছিল বেশিরভাগ বিএনপির প্রার্থীর। এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এসএম ফরহাদ, সদস্য সর্ব মিত্র চাকমাসহ এনসিপির নেতাদের প্রচারণায় অংশগ্রহণ প্রার্থীদের ইমেজ বাড়িয়েছে।
ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলার ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতেই বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে নুরুল আমিন জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ছাইফুর রহমান। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে সরোয়ার আলম জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নুরুল আমিন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে মোস্তফা কামাল পাশা জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাম্মদ আলাউদ্দিন সিকদার।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে আসলাম চৌধুরী জয়ী হয়েছেন, তবে তার ফলাফল স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আনোয়ার ছিদ্দিক। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ইলিয়াছ নূরী।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে হুমাম কাদের চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ডা. এটিএম রেজাউল করিম।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে এরশাদ উল্লাহ জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. আবু নাসের।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে আবু সুফিয়ান জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হক। চট্টগ্রাম-১০ (পাঁচলাইশ, ডবলমুরিং, পাহাড়তলী) আসনে সাঈদ আল নোমান জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শফিউল আলম। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক এনাম জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ এয়াকুব মো. পেয়ারু। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মোমবাতি প্রতীকের এসএম শাহজাহান। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ছাতা প্রতীকের ওমর ফারুক।
বাকি দুইটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াত প্রার্থী। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে শাহজাহান চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে মাওলানা জহিরুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
কক্সবাজারের চারটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। এর মধ্যে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে সালাহউদ্দিন আহমদ জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ জয়ী হয়েছেন। কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শহিদুল আলম বাহাদুর। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে শাহজাহান চৌধুরী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী।
তিন পার্বত্য জেলার তিনটি আসনেই জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। বান্দরবান আসনে সাচিংপ্রু জেরী জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন। রাঙামাটি আসনে দীপেন দেওয়ান জয়ী হয়েছেন। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা।
খাগড়াছড়ি আসনে ওয়াদুদ ভূঁইয়া জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধর্মজ্যোতি চাকমা। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এয়াকুব আলী (দাঁড়িপাল্লা) চতুর্থ হয়েছেন।
বিএনপির সাফল্যের নেপথ্যে
বৃহত্তর চট্টগ্রামে বিএনপির সাফল্যের পেছনে রয়েছে ঐতিহাসিক ও আবেগঘন প্রেক্ষাপট। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনার গুলিতে নিহত হন। দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের আসন থেকে একাধিকবার নির্বাচন করে জয়ী হন। ফলে এ অঞ্চলের সঙ্গে দলের ঐতিহাসিক ও আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।
গত ২০ জানুয়ারি চট্টগ্রামে নির্বাচনী সফরে এসে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান চট্টগ্রামকে ‘পুণ্যভূমি’ আখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই নগর থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং এখানেই তিনি শহীদ হন। ফলে চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।
অন্যদিকে দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসন হারিয়েছে জামায়াত। এ আসনে বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। কক্সবাজার-৪ (টেকনাফ-উখিয়া) আসনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়; মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের ব্যবধানে জয় পায় বিএনপি।
চট্টগ্রামে বিএনপির অভাবনীয় জয় প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, যেকোনো ক্রান্তিকালে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। বারবার তারা বিএনপির নেতৃত্বের ওপর ভরসা করেছে এবং বিএনপি দেশকে সংকট থেকে উত্তরণ ঘটিয়েছে। এবারও জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। জনগণের মধ্যে সেই দৃশ্যমান প্রত্যাশা রয়েছে যে, বিএনপি সরকার গঠন করে দেশকে সামনে এগিয়ে নেবে।