ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪৮ বার
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ অভিযান চালিয়ে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একাধিক থানা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তিনি জানান, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, পল্লবী, খিলগাঁও, হাজারীবাগ, আদাবর, বংশাল, যাত্রাবাড়ী, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
থানা অনুযায়ী গ্রেপ্তারের সংখ্যা হলো— গুলশান থানা ২ জন, ক্যান্টনমেন্ট থানা ৩ জন, ডেমরা থানা ১ জন, মোহাম্মদপুর থানা ৩ জন, পল্লবী থানা ৩ জন, খিলগাঁও থানা ২ জন, হাজারীবাগ থানা ৩ জন, আদাবর থানা ১ জন, বংশাল থানা ৩ জন, যাত্রাবাড়ী থানা ৫ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা ২ জন এবং শেরেবাংলা নগর থানা ১ জন।
গুলশান থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তাররা হলেন- রোমান আলী (২৮) ও শুক্কুর আলী (৩০)। ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয় আনোয়ার (৩৯), রিফাত (২২) ও রাকিবুল হাসান রনিকে (৩০)।
ডেমরা থানা থেকে সুমন (২৭) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় গ্রেপ্তার হন বেবী (৫০), শামীম ব্যাপারী (৩২) ও জাহিদ (৩৯)।
পল্লবী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শহীদ (৩৮), রাজু (২৮) ও দ্বীন ইসলামকে (১৯)।
খিলগাঁও থানা এলাকায় গ্রেপ্তার হন তুহিন (২৪) ও মোফাজ্জল হোসেন (৪০)। হাজারীবাগ থানা এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয় মো. হৃদয় ওরফে ঢাকাইয়া হৃদয় (২৭), মো. আল আমিন (২২) ও আবির হাসানকে (২৬)।
আদাবর থানা এলাকা থেকে রিনা বেগম (৪৪) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বংশাল থানা এলাকায় গ্রেপ্তার হন মো. সাহিল আহম্মেদ ইফতি (২৪), মো. রাজ আহম্মেদ (২৪) ও মো. আশফি রহমান সামির (২৪)।
যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ইয়াসিন ওরফে হাসান (২৮), মো. আল আমিন (৩২), মো. সোহান (২২), মুন্না (২০) ও আসিফকে (২০)।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকায় গ্রেপ্তার হন মো. আরিয়ান আহম্মেদ জিসান (২০) ও আফিয়া (৩০)। শেরেবাংলা নগর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মো. বাপ্পীকে (৩০)।
ডিসি তালেব জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।