ঢাকা, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

সাংবাদিকের মুখ বন্ধ করতে সন্ত্রাসী তৎপরতা!

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১০ অগাস্ট, ২০২৬ ১৬:৪৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৩ বার


সাংবাদিকের মুখ বন্ধ করতে সন্ত্রাসী তৎপরতা!

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার প্রধান ফটো সাংবাদিক মুঈদ খন্দকারকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ৪ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৫৯) করেছেন।

জিডিতে মুঈদ খন্দকার অভিযোগ করেন, যুবলীগ নেতা ও তিতাস গ্যাস কোম্পানির ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত আবু হানিফ ওরফে কানা হানিফ এবং তার সহযোগীরা তাকে দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৬ জুন সাংবাদিক শাহাদাত হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় আহত শাহাদাত, তার স্ত্রী ও ৮ বছর বয়সী কন্যাকে হাসপাতালে নিতে সহায়তা করেন মুঈদ খন্দকার। পরে ওই ঘটনায় শাহাদাত হোসেন আবু হানিফ, জুয়েল হাওলাদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার সাক্ষী হওয়ায় মুঈদ খন্দকারকে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

জিডিতে আরও বলা হয়, চাপের মুখে রাজি না হওয়ায় গত ২৪ জুলাই আরশিনগর বাড়ির মালিক সমিতির কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আবু হানিফ ও জুয়েল হাওলাদারের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হামলার চেষ্টা করে।

মুঈদ খন্দকার দাবি করেন, স্থানীয় সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে ও সাংবাদিক শাহাদাত হোসেনকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় কয়েকবার রক্ষা পেলেও হামলা ও হুমকি বন্ধ হয়নি।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, শাক্তা ইউনিয়নের আরশিনগর এলাকার বাসিন্দা আবু হানিফ ওরফে কানা হানিফের বিরুদ্ধে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ, চাঁদাবাজি এবং বাড়ি নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সাংবাদিক শাহাদাত হোসেনের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং তার নির্মাণকাজ একাধিকবার বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আবু হানিফ ও জুয়েল হাওলাদারের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


   আরও সংবাদ