ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৬ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৮ বার
বর্ষার আবহ, বাংলার ঐতিহ্য ও দেশীয় ক্ষুদ্র-কুটির শিল্পের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে পাঁচ দিনব্যাপী ‘বিসিক বর্ষা মেলা-২০২৬’ শুরু হয়েছে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিসিক ভবনে আয়োজিত এ মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৫৬ জন উদ্যোক্তা তাদের ঐতিহ্যবাহী ও নান্দনিক পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছেন।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিসিক ভবনে মেলার উদ্বোধন করেন।
মেলায় হস্তশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, জামদানি, শতরঞ্জি, মণিপুরী শাড়ি, বুটিক, নকশিকাঁথা, পাটজাত, বাঁশ ও বেতজাত পণ্য, মধুসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য নিয়ে মোট ৫৬টি স্টল অংশ নিয়েছে।
তেজগাঁও শিল্প এলাকার ৩১৬ নম্বরে বিসিক ভবনের নিচতলায় ৫ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র, কুটির ও হস্তশিল্প উদ্যোক্তারা তাদের মানসম্পন্ন ও ঐতিহ্যবাহী পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন।
এদিকে একই দিনে বিসিকের উদ্যোগে ‘জাতীয় অর্থনীতিতে বিসিক শিল্পনগরীসমূহের অবদান ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়। বিসিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় সারাদেশের বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, ৬৬ বছরের অর্জন, সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান অন্তত ৬০ শতাংশে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে।
চলমান ও নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিল্প খাতের সম্প্রসারণ ঘটাতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামী সাত দিনের মধ্যে বিসিক কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন শিল্পমন্ত্রী।
বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিসিক শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের বাস্তব রূপ। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও শিল্পায়িত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিসিক কাজ করে যাচ্ছে।