ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ মে, ২০২৬ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০ বার
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে নীলফামারীর বিভিন্ন পশুর হাট। জেলার সবচেয়ে বড় কোরবানির পশুর হাট হিসেবে পরিচিত সদর উপজেলার ঢেলাপীর হাটে মঙ্গলবার (১৯ মে) প্রচুর গরু উঠলেও ক্রেতার উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম।
তবে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি দেখা গেছে।
প্রতি মঙ্গলবার ও শুক্রবার বসা এ হাটে নীলফামারীর বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও পাশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলা থেকে গরু নিয়ে আসেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
সকাল থেকেই পায়ে হেঁটে কিংবা বিভিন্ন যানবাহনে করে পশু আনা শুরু হয়। দুপুরের মধ্যে কয়েক হাজার পশুতে ভরে যায় পুরো হাট এলাকা।
খোলামেলা পরিবেশে বসা এ হাটে রয়েছে পরিপাটি ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অসুস্থ পশু বিক্রি ঠেকাতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ভেটেরিনারি চিকিৎসকও দায়িত্ব পালন করছেন।
গরুর পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাগলও উঠেছে হাটে।
হাটজুড়ে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সরগরম পরিবেশ থাকলেও বেচাকেনায় ছিল কিছুটা ধীরগতি। অনেকেই মনে করছেন, ঈদের আরও কাছাকাছি সময়ে জমে উঠবে কেনাবেচা।
হাটে আসা ঢাকার ও চট্টগ্রামের পাইকাররা বড় আকারের গরু কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে মাঝারি সাইজের গরু।
বিক্রেতারা জানান, ৭০ থেকে ৮৫ হাজার টাকার গরুর চাহিদাই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি।
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের কৃষক আলী হোসেন জানান, তিনি একটি বড় ও একটি মাঝারি আকারের গরু হাটে এনেছিলেন। এর মধ্যে মাঝারি গরুটি ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও বড় গরুটির কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় সেটি বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।