ঢাকা, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

শেখ হাসিনার সাবেক দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাব তলব

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৭ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১১২ বার


শেখ হাসিনার সাবেক দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাব তলব

আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)

সাবেক ওই দুই মুখ্য সচিব হলেন, আবুল কালাম আজাদ ও তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার স্ত্রী আফরোজা খান ও ছেলে সারাফ ইসলামের ব্যাংক হিসাবও তলব করা হয়েছে।

ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, সম্প্রতি ব্যাংকগুলোতে বিএফআইইউ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে তাদের পিতামাতার নাম, জন্ম তারিখ ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংযুক্ত করা হয়।

কোনো ব্যাংকের তাদের হিসাব থাকলে, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড থাকলে বা অন্য কোনো ধরনের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য থাকলে তা বিএফআইইউকে পাঠাতে বলা হয়। চিঠি পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এসব তথ্য বিএফআইইউতে পাঠাতে বলা হয়।

 

এর মধ্যে আবুল কালাম আজাদকে ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি শেখ হাসিনা সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়কও ছিলেন।

 

আবুল কালাম আজাদ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জামালপুর-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। গণ-অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি এই পদ হারান।

তাছাড়া ব্যাংক হিসাব তলব করা অন্য আরেক মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সাবেক কর্মকর্তা।

ইতিপূর্বে তিনি প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ও সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন।

 

তোফাজ্জল ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ছিলেন। ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর তিনি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৭ আগস্ট তার নিয়োগ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

 


   আরও সংবাদ