আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪০ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৭ বার
উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহরের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বোমাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, এই বিমান হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত ও ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ মার্চ) ভোরে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লা জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি বলে, প্রতিরোধ নেতৃত্ব সব সময়ই স্পষ্ট করেছে যে, ইসরায়েলের আগ্রাসন অব্যাহত থাকা এবং আমাদের নেতা, তরুণ ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করা আমাদের আত্মরক্ষার অধিকার দেয় এবং উপযুক্ত সময় ও স্থানে জবাব দেওয়ার বৈধতা দেয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পনেরো মাস ধরে চলা আগ্রাসন কোনো সতর্কতামূলক জবাব ছাড়া ইসরায়েলি শত্রু চালিয়ে যেতে পারে না; এই আগ্রাসন থামাতে এবং দখলকৃত লেবাননি ভূখণ্ড থেকে সরে যেতে তাকে বাধ্য করতেই এই পদক্ষেপ।
এই সহিংসতা এমন এক সংঘাতের বড় ধরনের বিস্তারকে নির্দেশ করে, যা ক্রমেই এক আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে– একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে ইরান ও তার মিত্ররা।
হামলার পর দ্রুতই দক্ষিণ বৈরুতে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, দক্ষিণ লেবাননের একাধিক গ্রাম ও দেশের পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকাতেও ইসরায়েলি হামলা হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা লেবাননজুড়ে জোরালোভাবে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।
বাহিনীটি জানায়, এই অভিযানে যোগ দেওয়ার হিজবুল্লাহর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য কোনো হুমকি তৈরি করা বা উত্তরের বাসিন্দাদের ক্ষতি করার সুযোগ সংগঠনটিকে দেওয়া হবে না।
তারা আরও বলে, সন্ত্রাসী সংগঠন হিজবুল্লাহ লেবানন রাষ্ট্রকে ধ্বংস করছে। উত্তেজনা বৃদ্ধির দায় তাদেরই এবং এই ক্ষতির জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।