ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ২১:১৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৪ বার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত মোট নয়টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নয়জন প্রার্থী পৃথকভাবে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে আদালত চারটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন। আর দুটির ওপর শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য রয়েছেন। বাকি তিনটি এখনো কার্যতালিকাভূক্ত হয়নি।
এর আগে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক "নির্বাচনী” আবেদনপত্র; যে সব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানী করিবেন।’
যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য আবেদন গ্রহণ করেছেন সেগুলো হলো, শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা–৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা–৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লা ও গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
আদালতে জামায়াতে ইসলামীর তিন প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রাহেমীন চৌধুরী।
শেরপুর-১ আসনের ফলাফল বাতিল এবং আবার নির্বাচন চেয়ে আবেদনটি করা হয়েছিলো।
হাইকোর্ট আবেদন শুনানির জন্য ২০ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন। এর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থীসহ বিবাদীদের প্রতি নোটিশ জারি করতে আদেশ দিয়েছেন।
ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা, গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবদুর রহিম সরকার আবেদন তিনটি গ্রহণ করে হাইকোর্ট শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। তিনটি আবেদনের ওপর ৩ মে ও ১০ মে শুনানির দিন রেখেছেন।
আবেদনকারীদের আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা ঢাকা ছয়, ঢাকা সাত এবং গাইবান্ধা চার নিয়ে গেলাম।
আদালত শুনলেন। আমরা বেশ কিছু জিনিস দেখালাম। দেখার পরে আদালত সন্তুষ্ট হলেন এবং সবগুলো এডমিট করে নোটিশ ইস্যু করলেন।
এদিকে রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য রোববারের কার্যতালিকায় রয়েছে। তবে নয়টির মধ্যে বাকি তিনটি কারা করেছেন তা এখনো জানা যায়নি।