আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৮ বার
২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের জন্য ৬০ কোটি রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ১২০ কোটি রুপির তুলনায় অর্ধেক।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বরাদ্দ কমানো হলো।
বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজ্যসভাকে জানায়, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হামলার খবর, তাদের ঘরবাড়ি, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে আক্রমণ ‘নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করছে’ সরকার।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, “ভারত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উভয় পর্যায়েই একাধিকবার বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেছে।”
তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বিষয়টি উত্থাপন করেন।
রোববার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন, এটি তার নবম বাজেট।
বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ কমানো হলেও ভুটান ভারতের বিদেশি সহায়তার সবচেয়ে বড় গ্রহীতা হিসেবে রয়ে গেছে।
দেশটির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২২৮৯ কোটি রুপি, যা গত বছরের ২১৫০ কোটি রুপির তুলনায় বেশি। এ ছাড়া আফগানিস্তানের জন্য সহায়তা তিন গুণ বাড়ানো হয়েছে। আগের বছরের ৫০ কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে ১৫০ কোটি রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে।
পাশাপাশি নেপালের জন্য ৮০০ কোটি রুপি বরাদ্দ দিয়েছে ভারত, যা গত বছরের তুলনায় ১০০ কোটি রুপি বেশি।
শ্রীলঙ্কার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০০ কোটি রুপি। এই অর্থও আগের বছরের তুলনায় ১০০ কোটি রুপি বেশি।